নতুন নির্দেশিকা, কন্টেনমেন্ট এলাকা 100% লকডাউন, তবে অন্য জায়গায় খোলা থাকবে দোকান

করোনার জেরে সমস্ত জায়গাগুলিতে পরিক্ষা নীরিক্ষা করা হচ্ছে। তারপর হটস্পট চিহ্নিত করে রোড, গ্রীন ও অরেঞ্জ জোন হিসেবে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। তারসঙ্গে যে এলাকাগুলিতে প্রকোপ বেশি সেই জায়গাগুলিকে কনটেনমেন্ট হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে। যেহেতু ৩ মে তারিখ থেকে আবারও তৃতীয় দফার লকডাউন শুরু হয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কিছু নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। জোন ওয়াইস বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। খোলা হচ্ছে দোকানপাট। রেড অরেঞ্জ জোনের এলাকাগুলির মধ্যে যেগুলি কনটেইনমেন্ট জোন সেগুলি ছাড়া সর্বত্র দোকান খালা থাকবে।

যদিও সময় ১০ টা থেকে ৬ টা অবধি। যদিও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে তবেই দোকান চালানো যাবে বলেই ঘোষনা করা হয়েছে।এমনিতেই সোমবার থেকে মদের দোকান খোলা হয়েছে সারাদেশে। তাই তো বেশ ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে দোকানগুলিতে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার যে সমস্ত এলাকাগুলিতে কনটেনমেন্ট জোন ঘোষনা করা হয়েছে সেখানে দোকানে তালাবন্ধ থাকলেও বাকি জায়গা গুলিতে দোকান খোলা হবে যদিও বিধি নিষেধ না মানলে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে ব্যবস্থা নেবে সরকার।

প্রসঙ্গত রাজ্যে বেশিরভাগ জায়গা রয়েছে রেড জোনে। এছাড়াও ৫১৬ টি জায়গা রয়েছে কনটেনমেন্ট জোনে। সেই সমস্ত জায়গায় পুরোপুরি ভাবে বন্ধ সমস্ত কিছুই। অন্যদিকে গ্রীণ ও অরেঞ্জ জোনগুলিতে চা, পানের দোকান খোলা থাকবে কিন্তু সেখানে বসে আড্ডা‌ দেওয়া যাবে না। শপিং মল, মার্কেট কমপ্লেক্সের দোকানও খোলা যাবে না, স্পষ্ট জানিয়েছেন মুখ্যসচিব।তবে দোকান পাট ছাড়াও গ্রীণ জোনে বাস চলবে। একটি বাসে সামাজিক দূরত্ব মেনে কুড়ি জনকে তোলা যাবে। তবে সরকারি নিয়ম মেনে তবেই বাস চালানো যাবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলাশাসক এবং কলকাতার ক্ষেত্রে পুর কমিশনারের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে।