এই মূর্তিগুলো বাড়িতে কোনোদিনই স্থাপন করবেন না, নেমে আসতে পারে দুর্ভোগ, দেখা দিতে পারে অশান্তি

সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা উপাসনার জন্য আরাধ্য দেবতার অবয়ব কল্পনা করে নিয়ে মাটির মধ্যেই ঈশ্বরের আকার দিয়ে সযত্নে গড়ে তুলেছেন দেবতার বিভিন্ন মূর্তি। ভগবান শিব, নারায়ন, কার্তিক, গণেশের পাশাপাশি দেবী দুর্গা, কালী, লক্ষী, সরস্বতী ইত্যাদি প্রায় প্রত্যেক দেবদেবীর আলাদা আলাদা মূর্তি গড়ে তাদের পূজার প্রচলন রয়েছে। হিন্দু উপাসকরা দেবতাকে সাকার রূপে ভক্তিভরে পূজা করে থাকেন।

প্রত্যেক দেব, দেবীর আলাদা আলাদা মূর্তি প্রতিমা রয়েছে। তবে সব প্রতিমাকে কিন্তু বাড়িতে পূজা করা যায় না। পূজা করা তো দূরের কথা, বিশেষ বিশেষ কিছু দেবদেবীর মূর্তি বাড়িতে রাখাটাও নিরাপদ নয়। এর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে শনি দেবের মূর্তি। শনিদেবকে সন্তুষ্ট না রাখতে পারলে, তার কোপদৃষ্টিতে পড়লে জীবনে চরম দুঃখ নেমে আসতে পারে।

শনিদেবকে বাড়ির বাইরেই পূজা করা ভালো। বাড়িতে তার বিগ্রহ না রাখাই ভালো। এছাড়াও রাহু এবং কেতুর বিগ্রহও বাড়িতে রাখা যায় না। এই দুটিই আসলে ছায়া গ্রহ। তাই এদের মূর্তি বাড়িতে থাকলে অমঙ্গলের ছায়া বিরাজ করে। ঠিক একইভাবে কালভৈরবের মূর্তিও বাড়িতে রাখা উচিত নয়। কারণ কাল ভৈরবকে তন্ত্র সাধনার জন্য পূজা করা হয়ে থাকে।

যারা নৃত্যশৈলীর সঙ্গে জড়িত, তাদের মধ্যে অনেকেই বাড়িতে নটরাজের মূর্তি রাখেন। অনেকে আবার স্রেফ ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেও নটরাজের মূর্তি বাড়িতে রাখেন। নটরাজ শিবের রুদ্র মূর্তি। তাই এই মূর্তিটিও বাড়িতে রাখা ঠিক নয়। বাস্তুশাস্ত্র মতে এই সকল দেবতার মূর্তি বাড়িতে রাখা উচিত নয়। এতে দেবতাদের আশীর্বাদ পাওয়ার বদলে তাদের রোষানলে পড়তে হতে পারে।