নতুন ষড়যন্ত্রের আভাস! চিনের সঙ্গে মিত্রতা বাড়িয়ে সীমান্ত খুলে দিল নেপাল

চিনের সঙ্গে মিত্রতা বাড়িয়ে সীমান্ত খুলে দিল নেপাল

এবার নেপাল তাদের সীমান্ত খুলে দিল, তারা নাকি এবার বাণিজ্যের জন্য চিনের সীমান্ত খুলে দিল। এবার তারা কাচামাল থেকে শুরু করে, জলবিদ্যুত কেন্দ্র, বিভিন্ন কিছু নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনবে চিনের থেকে। সংবাদ মাধ্য সূত্রে জানা গেছে, এবার চিনের সাথে ব্যবসা করার জন্যই নেপ্লা তাদের সীমান্তের দরজা খুলে দিল। আসলে চিনের সাথে সীমান্ত সব দেশ বন্ধ করে দিয়েছিল করোনার কারণে। কিন্তু এবার আবার সেই সীমান্ত খুলে দেওয়া হল।

নেপালও এবার সেটাই করল, রসুয়াগাড়ি ও টাটোয়াপানি এই দুই সীমান্ত খুলে দেওয়া হল।নেপালের সাথে চিনের এক তরফা সীমান্ত নিয়ে হয়েছে কিছু চুক্তি, আর সেটার ওপরে নির্ভর করেই খুলে দেওয়া হল সীমান্ত। এবার রাসুয়া জেলার মুখ্য এলাকার আধিকারিক হরি প্রসাদ জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে কথা বার্তা হয়েছে। আর তারপরেই ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে মৈত্রী ব্রিজের কথা বার্তাও হয়েছে।

চিনের থেকে এবার নেপালের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে আসা হবে, আর সেটা চুক্তির ওপরে নির্ভর করেই। চিনের কার্গো ট্রাক, এবার সব কিছু নামিয়ে দেবে নেপালে। দিনের মধ্যে চিনের থেকে মোট ৪ টি ট্রাক আসবে ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস নামিয়ে দেবে। আর সেটাকে দেশের ভেতরে নিয়ে যাবে নেপালি চালক ও খালাসিরা। পরের দিকে এই পণ্যের পরিমাণ যে বৃদ্ধি করা হবে সেটার কথাও জানিয়েছে নেপাল সরকার। এদিকে আবার নেপালে দুটি বড় বিমান বন্দরের কাজ চলছে। পোখারা ও ভৈরাবাহা।

আসলে এখন চিন ও নেপাল দুজনেই ভারতের শত্রু। আর বাহ্রতের দুই শত্রু এখন বন্ধু। নেপালের কার্যকলাপ দেখে আগের থেকেই একটা সন্দেহ করা যাচ্ছিল, যে চিনের হাত রয়েছে। কিন্তু এবার সেটাতে একেবারে সীলমোহর পরে গেলো। সেনা প্রধান এম এন নারাবানে আগেই একটা আন্দাজ করেছিল, নেপালের দ্বিচরিতার পেছনে চিন ছাড়া আর কেউ হতে পারে না।আর সেটাকে এবার নেপালই চিনের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে প্রমাণ করল সহজেই।