বাবা সি’ঙ্গা’রা বি’ক্রি করে সং’সা’র চালাতেন, সি’নে’মা’র গ’ল্পকে পিছনে ফেলে দেবে নেহার কাহিনী

বলিউডের রিমেক কুইন বলতে আমরা একমাত্র চিনি নেহা কক্কর কে। নেহা জনপ্রিয়তার শিখরে অনেক দিনই পৌঁছে গেছেন। তার সুরের মূর্ছনায় মুগ্ধ হয়ে যেতে বিন্দুমাত্র সময় লাগে না নেটিজেনদের। প্রতিদিন বহু মানুষকে নিজের গানের দ্বারা মুগ্ধ করতে পারেন এই সঙ্গীত শিল্পী। গত বছর রোহন প্রীত সিং কে বিবাহ করে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন নেহা কক্কর। এমনকি তার বিয়ের দিন গুগোল এ সর্বোচ্চ সার্চ করা হয়েছিল তার নাম।

উদিত নারায়ণের ছেলে আদিত্য নারায়নের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলেও অবশেষে তিনি বিয়ে করেছিলেন রোহন কে। তার বিয়ের পোশাকের সাজসজ্জা থেকে আরম্ভ করে তার হানিমুনের পোশাক সবকিছুই হয়েছে ভাইরাল। মাঝে মাঝেই স্বামীর সঙ্গে ভিডিও পোস্ট করতে দেখা যায় এই সুন্দরী সংগীতশিল্পীকে।

তবে আজকে তিনি যে জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন সেই সাফল্য সহজে আসেনি তার কাছে। এটি অতি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে নেহা। উত্তরাখণ্ড জন্মে ছিলেন তিনি। পরে অবশ্য ভাইবোনদের নিয়ে তিনি দিল্লি চলে আসেন বাবার সাথে। একটা সময় তাদের এতটাই খারাপ গিয়েছিল যে তাদের সংসার চালানোর জন্য সিঙ্গারা বিক্রি করতে হয়েছিল তার বাবাকে। খুব কষ্ট করে তারা মানুষ হয়েছেন।

একটা সময় এমনও হয়েছে যে নেহা গ্রামে গঞ্জের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভজন গেয়ে প্রত্যেকদিন ১০০ টাকা পারিশ্রমিক পেতেন। অবশ্য নিহার গানের জগতে আসার আগেই তার দিদির সোনু কক্কর এর বাবুজি ধীরে চলনা গানটি হিট হয়ে যাবার পর তাদের আর্থিক অবস্থা কিছুটা হলেও সচ্ছল হয়েছিল।

নেহার পাশাপাশি তার ভাই ও একজন বিখ্যাত গায়ক হিসেবে ইতিমধ্যেই সকলের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন। 2006 সালে ইন্ডিয়ান আইডলের অডিশনে এর মাধ্যমে নেহা কক্করের জীবনে আসে নতুন মোড়। প্রতিযোগী হিসেবে তিনি সেই মঞ্চে যোগদান করেন। সেখান থেকেই একের পর এক গান উপহার দিতে শুরু করেন তিনি সকলকে। তারপর তাকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। আজ তিনি নামিদামি একজন গায়িকা, যিনি বিচারকের আসনে প্রায়শই বয়সের নিজের গুণের জন্য।