সোনার খ’রা কা’ট’লো, জ্যাভলিনে সোনা জি’তে ভারতের ক্রীড়াজগতে ই’তি’হা’স গড়লেন নীরজ চোপড়া

টোকিও অলিম্পিকে ভারতের জয়জয়কার। ভারতের নীরাজ চোপরা টোকিও অলিম্পিকে সোনা জিতে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখে নিলেন। গড়লেন একাধিক ইতিহাস। তার হাত ধরেই অলিম্পিকের ইতিহাসে প্রথম সোনা জিতল ভারত, শুধু তাই না, অভিনব বিন্দ্রার পর দ্বিতীয় ভারতীয় অ্যাথলিট হিসাবে ব্যক্তিগতভাবে সোনা জিতলেন নীরজ চোপড়া। এর আগে ১৩ বছর আগে বেজিং অলিম্পিকে সোনা জয় করেছিলেন অভিনব বিন্দ্রা।

জাভেলিন কোয়ালিফিকেশন অবিশ্বাস্যভাবে নিজের খেলা দেখে ফাইনালে উঠে গিয়েছিলেন তিনি। ৮৬.৫৯ মিটার দূরত্ব পার করেছিলেন নীরজ। আর এদিন প্রথম থ্রোয়েই ৮৭.০৯ মিটার দূরত্ব পার করেন ভারতীয় এই অ্যাথলিট। দ্বিতীয় থ্রোয়ে মারেন ৮৭.৫৮ মিটার। তৃতীয় থ্রোয়ে মারেন ৭৬.৭৯। কিন্তু দ্বিতীয় থ্রোতেই একবারে এক নম্বর আসনে পৌঁছে যান নীরজ। এরপর চতুর্থ এবং পঞ্চমবার ফাউল থ্রো করেন তিনি।

চলতি বছরে ভারতকে প্রথম পদক এনে দেন মীরাবাঈ চানু। এরপরে ব্যাডমিন্টনে ফাইনালে উঠতে গিয়েও ব্যর্থ হয়ে যান পিভি সিন্ধু, কিন্তু তবুও দেশকে ব্রঞ্চ এনে দেন তিনি। এরপর অসমের বক্সার লাবলিনা বর্গহাইন ব্রোঞ্জ পদক এনে দেন ভারতকে। ভারতীয় হকি দল জার্মানিকে হারিয়ে ৪১ বছর পর অলিম্পিকে পদক জয় করেন।

ব্রোঞ্জ পদক জিতে ইতিহাসের পাতায় নাম তোলেন শ্রীজেশরা। পরবর্তীতে সেই তালিকায় নাম তোলেন রবি কুমার দাহিয়া। কুস্তিতে সোনা নয়, রুপো জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাকে। এরপর ৬৫ কেজি ফ্রি-স্টাইল বিভাগে ব্রোঞ্জ জেতেন কুস্তিগির বজরং পুনিয়া। এরপর নীরজ জ্যাভলিনে সোনা জিতে রেকর্ড গড়লেন। সেই সঙ্গে অলিম্পিকে সপ্তম পদক এনে দিলেন ভারতকে। অলিম্পিকে পদক জয়ের সংখ্যার ক্ষেত্রে লন্ডন অলিম্পিককেও টপকে গেল ভারত।