প্রায় দিনেই মোমো খাচ্ছেন? জেনে শুনেই ডেকে আনছেন বিপদ

স্ট্রিট ফুডের কথা উঠলে প্রথমেই মনে পড়বে মোমো, ফুচকা, আইসক্রিমের কথা। স্কুল-কলেজ, অফিস ফেরত কিংবা টিফিনের জন্য অনেকেই এমন খাবারের উপর নির্ভর করে থাকেন। অনেকের আবার বিকেল হলেই মনটা কেমন যেন মোমো ফুচকা স্টলের দিকে ছুটে যায়। যদি আপনারও সেই স্বভাব থাকে তাহলে সাবধান! কারণ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন অতিরিক্ত পরিমাণে মোমো খাওয়াও কিন্তু শরীরের পক্ষে অত্যন্ত বিপদজনক।

কিন্তু কেন এমনটা বলছেন তারা? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বাড়ির তৈরি মোমো খেলে কোনো সমস্যা নেই। তবে বাজারে মোমোর প্রতি যদি আকর্ষণ থাকে তাহলে সেই আকর্ষণ পরিত্যাগ করাই ভালো। কারণ বাজারে তৈরি মোমোতে প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক মেশানো থাকে। অ্যাজোডিকার্বোনামাইড, ক্লোরিনেটিং, বেনজয়াইল পারক্সাইড এবং অন্যান্য রাসায়নিক যুক্ত মিহি ময়দা দিয়ে তৈরি হয় সেই মোমো।

এই রাসায়নিকের উপস্থিতির কারণে মোমোর স্বাদ বৃদ্ধি পায়। তবে তা কিন্তু অগ্ন্যাশয়ের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে। আবার মোমো তৈরিতে ব্যবহৃত সবজি গুলিও ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা হয় কিনা সেসম্পর্কেও রয়েছে সন্দেহ। শুধু তাই নয়, অনেক ক্ষেত্রে পচা শাকসবজি দিয়েও খাবার বানানোর বহু নজির পাওয়া গিয়েছে। অতএব এই খাদ্যদ্রব্যের গুণগতমান নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

মোমো তৈরিতে ব্যবহৃত সবজির মধ্যে প্রধান হলো বাঁধাকপি। এই সবজি যদি ঠিকমতো পরিষ্কার না করা হয় তাহলে এর মধ্যে উপস্থিত টেপ ওয়ার্ম শরীরে প্রবেশ করে মস্তিষ্কের বিকাশ ব্যাহত করার ক্ষমতা রাখে।আবার অতিরিক্ত ঝাল লঙ্কা দিয়ে বানানো চাটনি হেমোরয়েডসের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। তাছাড়া এরমধ্যে থাকে মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট যা ওজন বৃদ্ধির পাশাপাশি স্নায়বিক অসুস্থতা, বমি বমি ভাব এবং বুকের ব্যথার কারণও হয়ে দাঁড়ায়। অতএব সুস্থ শরীর পেতে হলে মোমো হইতে সাবধান।