ট্যাব না কিনে টাকা কিভাবে পকেটে ভরা যায়, প্রলোভন দেখানোর অভিযোগ মোবাইল বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে

করোনাকালে ছাত্র-ছাত্রীদের একমাত্র ভরসা অনলাইন ক্লাস। ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার্থে রাজ্যের সকল স্কুল কলেজ এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গত প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ। এমতাবস্থায় স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট পরিষেবাই তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার একমাত্র উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে তাই স্কুলের চূড়ান্ত বর্ষের পড়ুয়াদের ট্যাব কেনার জন্য দশ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হচ্ছে।

সমস্ত সরকারি স্কুলের চূড়ান্ত বর্ষের পড়ুয়াদের অর্থাৎ উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পড়ুয়াদের একাউন্টে সরাসরি দশ হাজার টাকা করে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে ওই টাকায় ট্যাব কিনে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন। তবে রাজ্য সরকারের এই প্রকল্পে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠলো। অভিযুক্ত বারাসাতের মোবাইল বিক্রেতারা।

বারাসাতের বেশ কয়েকটি মোবাইলের দোকানে সরকারের থেকে প্রদত্ত দশ হাজার টাকার বিনিময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের ট্যাব না নিয়ে কিভাবে তা পকেটস্থ করা যায়, সেই অসৎ উপায় দেখানো হচ্ছে! এমনই অভিযোগ তুললো স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুল কর্তৃপক্ষের এই অভিযোগ থানায় পৌঁছেছে। শুধু তাই নয়, এমন অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন জেলাশাসক। ওই মোবাইল বিক্রেতারা ছাত্র-ছাত্রীদের অসৎ উপায়ে সরকারি টাকা পকেটস্থ করার উপায় করে দিচ্ছেন!

এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ থানার দ্বারস্থ হয়েছে বারাসাতের স্কুল কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ পৌঁছেছে জেলাশাসকের দরবারেও। জেলাশাসক জানিয়েছেন, ওই মোবাইল বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সেই অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।