মিললো স্বস্তি, নিয়োগে স্থগিতাদেশ জারি হলেও বেতন পাবেন নতুন প্রাথমিক শিক্ষকেরা

রাতারাতি বিজ্ঞপ্তি বদল করলো প্রাইমারি শিক্ষা পর্ষদ। ২০১৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সেই অনুযায়ী গতকাল ডিস্ট্রিক্ট প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিলের তরফ থেকে জেলায় জেলায় স্কুল ইন্সপেক্টরদের নতুন নির্দেশিকা পাঠিয়ে জানানো হয়েছিল নতুন নিয়োজিত শিক্ষকদের বেতনের বিল পাঠানো আপাতত বন্ধ রাখতে হবে। সেই সিদ্ধান্তও বদলিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফ থেকে গতকাল নতুন শিক্ষকদের বেতন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত যে নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছিল, রাতা-রাতি সেই নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নেওয়া হলো। যারা ইতিমধ্যেই স্কুলে যোগদান করে ফেলেছিলেন তাদের কথা মাথায় রেখেই সিদ্ধান্তে বদল আনা হয়েছে। পর্ষদের এই সিদ্ধান্তে খুশি প্রাথমিক শিক্ষকরা।

দীর্ঘ সাত বছর অপেক্ষা করার পর ২০১৪ সালে টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। হাইকোর্টের নির্দেশের পর রাতারাতি মেধাতালিকা প্রকাশ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। এরপর আবার টেটের নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন একদল চাকরিপ্রার্থী। তারাও এই নিয়োগে অস্বচ্ছতার অভিযোগ তোলেন।

এর ফলে ফের বিপাকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। হাইকোর্টের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর একমাসের স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ পড়ে যাওয়াতে চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ রীতিমতো অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে গিয়েছে। তবে, এরই মধ্যে যারা চাকুরী ক্ষেত্রে যোগদান করেছেন তাদের বেতন এখনই বন্ধ হচ্ছে না। হাইকোর্টের পরবর্তী নিদের্শ পর্যন্ত তাদের বেতন অব্যাহত থাকবে বলেই জানানো হয়েছে।