চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ, চাঞ্চল্য এলাকায়

মালদা, ১২ জানুয়ারি: চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠলো মালদা জেলা পরিষদের তৃণমূল সদস্যর বিরুদ্ধে। চাকরি না পেয়ে টাকা ফেরত চাইতে গেলে উল্টে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করারও অভিযোগ উঠেছে ওই তৃণমূল নেতা ও তার এক ছেলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রতুয়ার থানার ভাদো এলাকায় ঘটে ঘটনাটি।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ভাদো এলাকা। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ হয়েছে রতুয়া থানায়। নির্বাচনের মুখে এমন ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে দলীয় নেতৃত্ব। টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা পরিষদ সদস্য হুমায়ুন কবীর।
সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক স্কুলে, গ্রাম পঞ্চায়েতে ও আশাকর্মীর চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে দু বছর আগে হুমায়ুন কবীর(বাজনা) এলাকার বেশ কিছু প্রার্থীর কাছ থেকে মোটা টাকা নেন বলে অভিযোগ। প্রার্থীদের অনেকের কাছ থেকে আবার অরিজিনাল নথিপত্রও নিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ।

এই চাকরি প্রার্থীরা সকলেই দলেরই কর্মী। কেউ সরাসরি, কেউ দলেরই কোনও কর্মীর মাদ্যমে হুমায়ুনকে টাকা দেন বলে অভিযোগ। কিন্তু তাদের চাকরি না হওয়ায় তারা টাকা ফেরত চান। আজ দেব, কাল দেব করে তিনমাস থেকে তিনি প্রার্থীদের ঘোরাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার টাকা ফেরত চাইতে তৃনমূল নেতার বাড়িতে যান জুবাইর আহমেদ নামে দলেরই এক কর্মী। জুবাইরের অভিযোগ, হুমায়ুনের বাড়িতে গেলে তাদের উপর হামলা করা হয় বলে অভিযোগ। হাত দিয়ে বাধা দেওয়ায় অস্ত্রের আঘাতে হাত কেটে যায়।

চাকরির নাম করে টাকা নেওয়া ও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে হুমায়ুন কবির পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, আমাকে নানাভাবে হেনস্থা করতে দলেরই একাংশ সিপিএম, কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমাকে অপদস্থ করতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আগেও হামলার চেষ্টা করেছে। এদিন আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দলবল নিয়ে বাড়িতে চড়াও হয়ে আমার উপর হামলার চেষ্টা হয়। পুলিশকে তা জানানো হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রতুয়া থানার পুলিশ।