শীতলখুঁচিতে এলেন মমতা, নিহতদের পরিবারের সাথে বললেন কথা, দেখুন কি বললেন তিনি

বর্তমান নির্বাচনে নিঃসন্দেহে শীতলকুচি ঘটনাটি নিন্দার যোগ্য। চতুর্থ দফার ভোটের দিন শীতলকুচি তে যে ঘটনাটি ঘটেছে তা নিয়ে প্রতিদিন রাজনৈতিক চাপ আন্তর বেড়েই চলেছে। কখনো এই ঘটনা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করতে শোনা যাচ্ছে দিলীপ ঘোষকে কখনো আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হচ্ছে। এই সব কিছুর মধ্যেই শীতলকুচি তে নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াবার অঙ্গীকার করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সশরীরে তিনি গেলেন ঘটনাস্থলে। নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার দিয়ে এলেন তিনি। ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের খুঁজে বার করবেন এই আশ্বাস দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তাকে দেখে রীতিমতো কান্নায় ভেঙে পড়ল শোকগ্রস্ত রা। প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া ১৮ বছরের আনন্দ বর্মণের মৃত্যুতেও নিন্দা প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিহত আনন্দের দাদু এবং মামা কথা বলতে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে। তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দেবার কথা জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বুধবার শীতলকুচি তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন যে, আমি আপনাদের সকলের ঘরের মানুষ। আপনাদের কথা দিচ্ছি যে দোষীরা নিশ্চয়ই শাস্তি পাবেই। মানুষ এই হত্যার জবাব দেবে। পাশাপাশি তিনি এও জানিয়েছেন যে, নিহত ৫ জনের পরিবারকে সরকারি সাহায্য দেওয়া হবে। নিহত সকলের জন্য শহীদ বেদি তৈরি করা হবে বলে তিনি জানান।

শীতলকুচি ঘটনার পর ৭২ ঘন্টা কোন নেতা এবং নেত্রী নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন কোচবিহারে প্রবেশ করতে পারেনি। তার ওপরে একের পর এক নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে প্রচার করতে মানা করে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার গান্ধী মূর্তির নিচে একা প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধর্না তে বসে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবার পর তিনি ছুটে গেলেন শীতলকুচি তে। কমিশনের নিষেধাজ্ঞা ছিল বলে তিনি শীতলকুচি তে আসতে পারেননি বলেই মৃতের আত্মীয়দের জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবার পর আরও একবার শীতলকুচি তে আসবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান তিনি।