মমতা ব্যানার্জি মাত্র ১০ মিনিটেই ২৫ লক্ষ বাড়ি করে দেন ৪০ লক্ষ, বিস্ফোরক দাবি করলেন শোভন

আসন্ন একুশের নির্বাচনী লড়াইয়ের পেক্ষাপটে দলবদলের মরসুমে অন্যান্য তৃণমূলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি একসময়ের মমতাঘনিষ্ঠ শোভন চট্টোপাধ্যায়ও ঘাসফুলের প্রতি আনুগত্য ত্যাগ করে পদ্মফুল আপন করে নেন। দলবদলের পরপরই পূর্ণদমে রাজনীতিতে নেমেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। বিজেপি নেতৃত্বের আয়োজিত তার প্রথম সমাবেশে রাজ্য সরকারকে কার্যত তুলোধোনা করলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়।

বিজেপি নেতৃত্বের আয়োজিত সমাবেশে অংশগ্রহণ করে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের হুংকার, তৃণমূলের মন্ত্রী পদ তিনি “হাওয়াই চটি”র মতো ছুঁড়ে ফেলে দিতে পারেন। “বিজেপি একসময় তৃণমূলের জন্ম দিয়েছিল, সেই বিজেপিই এবার তৃণমূলকে ধ্বংস করবে!”, এদিনের সমাবেশে এমনই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। এখানেই অবশ্য শেষ নয়, রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করার জন্য এদিন তার তুণীরে অনেক বাণই ছিল।

তিনি দাবি করেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত স্তরে নির্বাচন হতে দেননি। বিনা নির্বাচনে একের পর এক জেলা পরিষদ দখল করে নিয়েছে তৃণমূল! পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গীতাঞ্জলি আবাস প্রকল্প নিয়েও রাজ্য সরকারকে বিঁধেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তার দাবি, এই আবাসন প্রকল্পে কার্যত কোনো বাড়ি তৈরি করা হয়নি!

শোভন চট্টপাধ্যায়ের বিস্ফোরক মন্তব্য, গীতাঞ্জলি আবাস প্রকল্প সম্পর্কে বিধানসভায় কোনো জবাব দেওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী তাকে বলে দেন বিধানসভায় বলতে রাজ্যে এই প্রকল্পের আওতায় ২৫ লক্ষ বাড়ি নির্মিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর শেখানো সেই কথা তিনি যখন বিধানসভায় বলতে যান তখন মুখ্যমন্ত্রীই বিরোধিতা করে বলেন, ২৫ লক্ষ নয়, ৪০ লক্ষ বাড়ি তৈরি করেছে রাজ্য সরকার। শোভনের কটাক্ষ, মাত্র দশ মিনিটের মধ্যেই কথা বদলে ফেলেন তিনি। সেদিন অবশ্য তিনি চুপ ছিলেন, নতুবা মুখ্যমন্ত্রীর বিশ্বাসযোগ্যতা খর্ব হত।