“ম্যাজিক রাইস”, গরমজলে ভিজিয়ে রাখলেই তৈরি হয়ে যাবে “ভাত”, শিরোনামে তেলেঙ্গানার কৃষক

রাইস কুকারের কথা আমরা সকলেই জানি। বা এটাও জানি যে, আগের দিন চাল ভিজিয়ে রাখলে খুব তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যায়। কিন্তু গরম জলে ভিজিয়ে রাখলেই ভাত হয়ে যায় এমন চালের কথা কি আগে কখনো শুনেছেন? না শুনলে আজকে শুনে নিন সেই চালের কথা। এই চারদিকে বলা হয় ম্যাজিক রাইস। আজকে এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনাকে জানাবো এই ম্যাজিক রাইস এর গুনাগুন।

তেলেঙ্গানা করিম্নগর এর বাসিন্দা এবং পেশায় কৃষক হলেন ইলানথাকুন্ত মন্ডল। ছোটবেলা থেকেই তার চাষবাসের দিকে ঝোঁক ছিল। তবে শুধু মাত্র যে তিনি চাষবাস করেন তা কিন্তু নয়। চাষবাস কে কিভাবে আরো বেশি উন্নত করা যায়, তা নিয়ে প্রতিনিয়ত গবেষণা করে যান। এ গবেষণার নেশা তাকে ছুটে বেড়ায় বিভিন্ন দেশে। নানা প্রজাতির চালের খোঁজে বেরিয়ে পড়েন তিনি।এরকমই একদিন তিনি পৌঁছে গিয়েছিলেন অসমের একটি পাহাড়ি গ্রামে। যেখানে তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন ম্যাজিক রাইস এর।

সেখান থেকে সোজা গুহাটি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে যান এই চাল টি কে। চলে বিস্তর গবেষণা। খুব অল্প জমিতে চাষ শুরু করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে কৃষক জানিয়েছেন যে, বহুদিন ধরে বিভিন্ন চালের প্রজাতি নিয়ে আমি গবেষণা করছিলাম। নিজের মতো করেই দেশের নানা প্রান্ত থেকে তা সংগ্রহ করে নিয়ে আসতাম।

অসমের একটি পাহাড়ের মাথায় আমি খোঁজ পাই এই ম্যাজিক রাইস এর। সেখানকার অধিবাসীরা নিজেদের মতো করে এটি ব্যবহার করত। আমার একমাত্র উদ্দেশ্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরো খানিকটা এগিয়ে দিতে পারবে এই চাল। তাই তাদের কাছে আমি পৌঁছে দিতে চাই এই চাল কে। এছাড়াও কৃষি ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার উদ্দেশ্য ছিল আমার। সেই কাজে যে সফল হতে পেরেছি এটাই আমার পরম প্রাপ্তি।