প্রিয় মানুষের থে’কে ভালোবাসা চাইছেন? মানুন ফেং সুইয়ের এই কয়েকটি নি’য়’ম, জেনে নিন অবশ্যই

প্রেম, ভালোবাসা, সম্পর্ক এই তিনটি বিষয় ভীষণই অদ্ভুত। কেউ সারাজীবন মাথা কুটেও মনের মতো মানুষের সাথে পান না, আবার কেউ কেউ সবকিছু পেয়েও অবহেলা করেন। সবটাই নির্ভর করছে মানুষের ভাগ্যের উপরে। এমন অনেকেই আছেন যারা জ্যোতিষ, বাস্তুশাস্ত্র ইত্যাদি সুনির্দিষ্ট প্রাচীন পদ্ধতির মাধ্যমে নিজের ভাগ্য ফেরানোর চেষ্টা করেন। ভালোবাসা সংক্রান্ত মন্দ ভাগ্যের ব্যাপারেও যে পরিবর্তন সম্ভব সেই বিষয়েও উল্লেখ আছে চৈনিক বাস্তুশাস্ত্র ‘ফেং সুই’-তে। যেখানে বলা আছে যে প্রণয়ের সম্পর্ক অনেকাংশে নির্ভর করে বাড়ির আবহের উপরে। ভালোবাসার মন্দ ভাগ্যের ব্যাপারে কীভাবে পরিবর্তন সম্ভব সেই সম্পর্কে নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে! তাহলে চলুন দেরি না করে দেখে নেওয়া যাক ‘ফেং সুই’-এ এই ব্যাপারে ঠিক কি বলা রয়েছে।

ঘরে যদি লাল রঙের একটা দু’টো কুশন রাখা যায় তাহলে খুব ভালো হয়। তবে কোনো কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়। তাহলে তা ভালোবাসার জন্ম তো দেবেই না বরং তার বদলে জীবনে রাগ এবং উত্তেজনার সৃষ্টি হবে।

বিছানায় আমরা অনেক রং এর চাদর পেতে থাকি। তবে গোলাপি চাদর পাতলে তা নাকি জীবনে ভালোবাসা নিয়ে আসে। কিন্তু এ ব্যাপারে একটা বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।প্রতি দিন নিয়ম করে চাদর বদলাতে ভুলবেন না। বাসি চাদর পেতে রাখলে কোনো ম্যাজিকই হবে না।

ফেং সুই মতে জীবনে ভালোবাসা ডেকে আনতে হলে ঘরের কোণে আসবাবের মতো জিনিস একটির বদলে জোড়ায় জোড়ায় রাখলে তার সুফল পাওয়া যায়। যেমন ধরুন চেয়ার, মোড়া ইত্যাদি; এমনকি ফুলদানির ক্ষেত্রেও এই নিয়ম মেনে চলাই ভালো।

ক্যান্ডেল লাইট ডিনার একটা ভীষণ রোম্যান্টিক ব্যাপার। সঙ্গী যদি কখনো কখনো একটা ক্যান্ডেল লাইট ডিনার গিফট করে তাহলে তো অন্য অপশন পছন্দ করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না, কি বলেন! তেমনই ফেং সুই-এ বলা আছে রোজ যদি মোমের আলোয় কিছুটা সময় ঘর আলোকিত রাখা যায় তাহলে জীবনে ভালোবাসার জোয়ার আনে।

রোজ যদি তাজা ফুল দিয়ে ঘর সাজানো যায় তাহলে তা যেমন একদিকে ঘরকে সৌরভে ভরিয়ে তোলে তেমনি সম্পর্কে প্রণয় সৃষ্টি করে।অ্যারোমাথেরাপি-স্ট্রেস রিলিফের জন্য আদর্শ তো বটেই, কিন্তু ফেং সুই বলছে যে ঘর থেকে নেতিবাচক ভাইবস দূর করে জীবনে ভালোবাসার সুগন্ধ নিয়ে আার ক্ষেত্রেও কাজ করে এই পন্থা।

এছাড়া ফেং সুইয়ের মতে অতিরিক্ত বালিশ, বাড়িতে অনেক স্টাফড খেলনা জীবনে জটিলতা ডেকে আনে, তাই এগুলোকে এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।