শুরু হচ্ছে লোকাল ট্রেন পরিষেবা, অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য ও রেলের

প্রথমে বলা হয়েছিল এবার পূজার পরে রাজ্যে ১০-১৫% এর মতো লোকাল ট্রেন চালানো হবে, যে সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিল রাজ্য ও রেল কর্তৃপক্ষ, কিন্তু তার পরে আবার নবান্নে বৈঠক, সেখানে ২৫% রেল চালানোর কথা জানায় দুই পক্ষ ও তারা মেনেও নেয়। কিন্তু গতকাল বুধবার ফের নবান্নে লোকাল ট্রেন বিষয়ক বৈঠক রাজ্যের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সাথে রেলের কর্তৃপক্ষের।

দেখা যাচ্ছে রেল পরিষেবার পরিমাণ বেড়েই চলেছে, প্রথমে যেমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সেটার থেকে ২ গুণ এখন বৃদ্ধি পেয়েছে, আর তার ফলেই পরিমাণ ৩০-৪০% এর মতো, যা গতকাল বুধবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে সকাল সন্ধ্যায় চালাতে হবে ৩০-৪০% এর মতো লোকাল ট্রেন।  একটা সময় প্রাক করোনাকালে শিয়ালদহতে লোকাল ট্রেনের সংখ্যা ছিল ৯১৫ টি ও হাওড়াতে ৪০৭ টি, কিন্তু করোনার পরে সেই সংখ্যা একেবারেই নেমে এসেছে, কিন্তু এবার সেই সংখ্যার ৪০% ট্রেন চালানোর জন্য রাজ্য ও রেল কর্তৃপক্ষ সায় দিয়েছে।

কিন্তু কিছু নিয়ম কানুন মেনে। বিশেষ করে দিনের ব্যস্ত সময়ে ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাথে ট্রেনের সিট সংখ্যা হিসেবে যাত্রী সংখ্যাও অর্ধেক করার কথা বলা হয়েছে। তাছাড়া কোথায় কেমন ভিড় হচ্ছে, কোথায় মানুষের আনাগোনা বেশী হচ্ছে সেদিকে নজর রেখেই যৌঠভাবে কাজ করার কথা জানিয়েছে রাজ্য ও রেল কর্তৃপক্ষ।

তবে গতকাল নবান্নে যাত্রীদের আচরণ বিধি নিয়েও কথা বার্তা হয়েছে, তারা দুপক্ষই এসপিও সম্পর্কে একমত হয়েছে। এই এসপিও রিপোর্ট তৈরীর জন্য আজ বৃহস্পতিবার একটি খসড়া তৈরী করা হবে। আর সেখানেই ক্ষতিয়ে দেখা হবে ও হিসেব রাখা হবে বিভিন্ন কিছুর। যেমন যাত্রী সংখায়, প্রবেশ পথ বাহির পথ, ও সাথে বিভিন্ন সতর্কতা মূলক বিষয়।

ট্রেন চললে কোনোভাবেই আগের নিয়ম যে আর থাকবে না সেটা কিন্তু স্পষ্ট। আর সেটা নিয়েই গতকাল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে স্টেশনে ঢকার আগে থার্মাল স্ক্রিনিং করা, মাস্ক, স্যানিটাইজার আবশ্যক। ট্রেনে অর্ধেক যাত্রী বসে যাওয়া, এই সব কিছুর ভিত্তিতেই চালানো হবে লোকাল ট্রেন। যা নিয়ে আর পি এফ, জি আর পি ও রাজ্য পুলিশের সাহায্য কাম্য।