সংসদ থেকে বার্তা যাক, সেনাবাহিনীর সাথে পুরো দেশ, অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর

ফাইল ছবি

আজ থেকেই কিন্তু শুরু বাদল অধিবেশন তার তোড়জোড় চলছে একেবারে দারুণ ভাবে । তবে এইসবের শুরুর আগেই সংসদ ও সাংসদের উদ্দেশ্যে এক বার্তা দিলেন। আসলে দেশের মধ্যে এখন চিনের সাথে কেমন ধরনের ঝামেলা চলছে সেটা আশাকরি বলার আর কিছুই নেই। দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার পারদ সবার ওপরে। তাই এবার সমস্ত দেশবাসী ও সংসদের উদ্দেশ্যে জানিয়েছে, সংসদ ও সাংসদেরা যেনো বার্তা দেয় তারা দেশের সেনাদের পাশেই রয়েছে। কারণ একেবারে একটি দারুন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই সীমান্ত লড়াই ভারত ও চিন। তবে এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজে জানিয়েছেন, দেশের সেনা অসীম সাহসী, নিষ্ঠাবান, ও দেশের জন্য আত্মত্যাগে প্রস্তুত। তবে দেশের সেনা সীমান্তে একেবারে মজবুত দেওয়ালের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে।

আসলে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তাতে স্পষ্ট যে সবাইকে এক হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে এই চিনের বিরুদ্ধে। তাই তিনি বারাবার বলছেন দেশের মানুষ যে পাশে আছে সেটা সংসদ ও সাংসদেরা যেনো একত্রে জানায়। আসলে এইসময়ে আমাদের একত্র হওয়া খুব জরুরি। কিন্তু এই ১৫ জুনের ঘটনার পরেই রাহুল গান্ধী কেন্দ্রকে কটাক্ষ করে অনেক কথাই বলেছেন‌। তিনি বলেছিলেন মোদী সরকার ব্যর্থ, আর মোদী সরকার যে লাল সেনার চোখ রাঙানি তে দারুণ ভাবে ভীত সন্ত্রস্ত সেটা বোঝা যাচ্ছে। তবে এই সবের পরেও প্রধানমন্ত্রীর এক হওয়ার বার্তা।

এবার ফের শুরু হতে চলেছে অধিবেশন। করোনার মধ্যে অধিবেশন বাধ্য হয়েই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার ফের চালু হতে চলেছে।তবে আগের থেকে বদল করা হয়েছে অনেক ধরনের নিয়ম। আসলে এখন রাজ্যসভার ও লোকসভার অধিবেশন ৪ ঘন্টার বেশী ধার্য্য করা হয় নি।জানা গেছে রাজ্যসভার অধিবেশন চলবে সকাল ৯ টা থেকে ১ টা ও লোকসভার অধিবেশন চলবে বিকাল ৩ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা। এদিকে প্রশ্নোত্তর পর্ব বাদ দেওয়া হয়েছে, সাথে জিরো আওয়ার কমিয়ে অর্ধেক করে দেওয়া হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তে বিরোধিতা করা হয়েছে। কারণ বিরোধীদলীয় নেতারা জানিয়েছে বিরোধীদের অধিকার খর্ব করা হয়েছে, কোনোভাবেই এটা মেনে নেওয়া যায় না। মোদী সরকারের এই পদক্ষেপে বিরোধী নেতারা সোচ্চার হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।।