মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব, দেশেই নষ্ট হলো ২৩ লাখের বেশি কোভিড ভ্যা’ক’সিন

গতবছরের করোনা প্রকল্পের জন্য গোটা বিশ্ব একেবারে হাঁসফাঁস ছিল। চারিদিকে খালি একটাই চিন্তা ভাবনা চলছিল কি করে এই করোনার মতো মহামারী থেকে রেহাই পাওয়া যায়। লকডাউন এর সময় মাসের-পর-মাস যখন মানুষ ঘরে বসে ছিল, সেই সময়ে চার দেওয়াল হয়ে গিয়েছিল মানুষের থাকার জায়গা। করোনার প্রকোপের ফলে লাখ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল, আক্রান্ত হয়েছে কোটি কোটি মানুষ। এরকম অবস্থাতেই প্রত্যেকটি দেশেই চেষ্টা চালানো হচ্ছিল কিভাবে এই রোগের সাথে লড়াই করার জন্য ওষুধ তৈরি করা যায়।

চেষ্টা চলছিল ভ্যাকসিন তৈরি করার, যার মাধ্যমে হয়তো এই রোগ হারানো সম্ভব কিন্তু কিছু করেই কোন কিছু উপায় খুঁজে পাচ্ছিল না। অবশেষে একটা সময় তৈরি হলো করোনার সাথে লড়াই করার ভ্যাকসিন। প্রথম প্রথম মানুষ অপেক্ষা করছিল করোনার ওষুধের, কিন্তু করোনার প্রভাব কিছুটা কমে যাওয়ার পরে মানুষের মধ্যে সেই চাহিদাটা আর থাকলো না। নতুন বছর পড়ার পরপরই প্রায় কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ৬ কোটি ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছিল নানান রাজ্যে, তারমধ্যে প্রাইজ ৬.৫ শতাংশ নষ্ট হয়ে গেছে।

ভ্যাকসিন দেয়ার ব্যাপারে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের এখন কথাবার্তা চলছে। যে পরিমাণ জনসম্পদ সেই জনসম্পদের কাছে ভ্যাকসিন না পৌঁছে সেগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ব্যাপারটাকে কন্ট্রোল না করা যায় তাহলে করোনাকেও শেষ পর্যন্ত আটকানো সম্ভব হবে না। করোনা শক্তিশালী হয়ে অন্য রূপে ফেরত আসবে। কিন্তু এই ডোজ গুলি কিভাবে নষ্ট হয় সেটাই প্রশ্ন এখন।

খবর সূত্রে জানা গেছে যে, কোভিশিল্ডের সেখানের একটা ভায়ালে ১০ টি ডোজ থাকে, আরেকটি ভায়ালে থাকে ২০টা ডোজ সুতরাং যদি একটা ভায়াল খুলে ফেলা হয় তাহলে, অন্যান্য ডোজ গুলো নষ্ট হয়ে যাবে এবং পরে এই সমস্ত ডোজ গুলো আর ব্যবহার করা যাবেনা। ভারত হলো বড় গণতন্ত্রের একটি দেশ যেখানে টিকাকরণ করা একটা বড় ব্যাপার। যারা টিকা নিয়ে নিয়েছেন এতদিনের তাদের সংখ্যা খুবই নগণ্য ফলে যেভাবে টিকা গুলি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ভবিষ্যতে কিছুটা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য লোক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রদেশের ৯.৪ অন্ধ্রপ্রদেশে ১১.৬ এবং তেলেঙ্গানায় ১৭.৫ শতাংশ ভ্যাকসিন নষ্ট হয়ে গেছে।