কা’ট’মা’নি-তোলাবাজির লো’ভে দল ছেড়ে তৃণমূলে যাচ্ছেন! দলত্যাগীদের বি’রু’দ্ধে স’র’ব বাবুল সুপ্রিয়

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল শিবির ছেড়ে বিরোধী বিজেপি শিবিরে নাম লেখাতে মরিয়া হয়ে পড়েছিলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। তৃণমূল থেকে একাধিক নেতাকর্মী দলে দলে বিজেপি শিবিরে নাম লেখাতে শুরু করেন। তবে নির্বাচনী ফল প্রকাশের পর তৃণমূল আবার ক্ষমতায় ফিরতেই উল্টো দৃশ্য দেখা যেতে শুরু করে। এখন বিজেপি শিবির থেকে দলে দলে কর্মী-সমর্থকরা আবার তৃণমূল শিবিরে ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন গুনছেন।

রবিবার আসানসোলের বিজেপির প্রাক্তন জেলা সম্পাদক মদনমোহন চৌবে-সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল দলে নাম লেখালেন। আর এর পরিপ্রেক্ষিতেই দলবদলকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় খোঁচা দিলেন বিজেপি নেতা বাবুল সুপ্রিয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষের সুরে তিনি লিখেছেন, আসানসোলের তৃণমূলীয় নেতা-মন্ত্রীরা তাদের দলের নতুন সদস্যদের অবশ্যই আশানুরুপ এলাকায় ‘সিন্ডিকেট-তোলাবাজির” সুযোগ করে দিয়ে তাদের ভাল রাখবেন!

২০১১ সালে আসানসোল উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন মদনমোহন চৌবে। তবে সেবার অবশ্য তিনি জিততে পারেননি। এবার তার আশা ছিল যে দলের তরফ থেকে তাকে টিকিট দেওয়া হবে। তবে সেই আশাও পূরণ হয়নি। তিনি দাবি করেছিলেন বিধানসভায় যে প্রার্থীকে টিকিট দেওয়া হয়েছে তাকে টিকিট দেওয়া উচিত হয়নি। এরপর এই দলের ছোট বড় নেতাদের বিরুদ্ধে সমালোচনা করতে শুরু করেন মদনমোহন চৌবে।

তিনি দাবি করেন যে তিনি কখনো ভাবতেই পারেননি দল নিজের আদর্শ থেকে সরে গিয়ে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হবে। কারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তা কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক দলের অনুমান ছিল, আসানসোলের বিজেপি নেতৃত্ব বাবুল সুপ্রিয়কেই নাম না করে খোঁচা দেন তিনি। এবার বাবুল তার বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুললেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অবশ্য মদনমোহন চৌবে কিংবা তার সমর্থকদের তরফ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।