কালীপূজায় রাজ্যের কাছে বিশেষ আর্জি বাজি ব্যবসায়ী সংগঠনের

২০২০ সালের উৎসব একেবারেই কড়া নিয়ম মেনে, কোনোভাবেই লাইনের ওপারে যাওয়া যাবে না বলেই জানিয়েছে প্রসাশন। তাছাড়া এইবারে দূর্গাপূজার মন্ডপ যেমন একেবারে নো এন্ট্রি ছিল তেমন ভাবেই কালীপূজাও যেনো নো এন্ট্রির মধ্যেই কাটে তেমনটাই চেয়েছিল সাধারণ মানুষ, সাথে বাজি পোড়ানোর ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা চেয়েছিল তারা। কারণ করোনা কালে উৎসবে মেতে উঠে যেনো মানুষ আক্রান্ত না হয়ে পরে, সেই কারণেই সব দিক থেকেই এত কড়া নিয়ম কানুন।

তাই সব কথা শুনে রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যবাসী কে বাজি না পোড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে। আর সেটাই তিনি সাংবাদিক বৈঠকে বলেছেন, যাতে রাজ্যবাসী বাজি ফাটানো থেকে দূরে থাকে, ও করোনা রোগীদের পাশে থাকে। তবে এই কথা মেনে নিতে নারাজ বাজি শিল্পীরা। ইতিমধ্যে তারা সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছেন ও তাদের অসুবিধার কথাও জানিয়েছেন। রাজ্যে মোট ৩১ লক্ষ বাজি শিল্পী। যদি বিনা বাজিতেই কালী পূজা হয়, বাজি বিক্রি যদি একেবারেই বন্ধ হয়ে যায় তাহলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পরবে তারা। তাই বাজি ব্যবসায়ী সংগঠনকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার ডেকেছে রাজ্য সরকার।

ইতিমধ্যে এই বাজি ব্যবসায়ীরা চিঠি লিখে রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেছে যাতে আগামী ১৪ ও ১৫ নভেম্বর রাত ৮ থেকে ১০ টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়। এখানেই শেষ না সাথে আরও বলা হয়েছে যারা লাইসেন্স প্রাপ্ত বাজি ব্যবসায়ী তাদের যেনো ২ লক্ষ করে টাকা অনুদান দেওয়া হয়। তবে সরকার জানিয়েছে চাইনিজ বাজি ও বেশী ধোঁয়া যুক্ত বাজি বিক্রি ও পোড়ানো যাবে না। কিন্তু এখন মুখে এইসব বললেও আগামীকাল চূড়ান্ত বৈঠকের পরেই আসল সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে ইতিমধ্যে বিভিন্ন পূজো মন্ডপের নো এন্ট্রি ও শোভাযাত্রা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয়েছে।যার শুনানি আগামীকাল বৃহস্পতিবার। এদিকে মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পূজোতে কোনোভাবেই বাজি ফাটানো যাবে না, কারণ এই বাজির ধোঁয়ায় করোনা রোগীদের আরও অনেকটাই কষ্ট হবে, তাই এই কালীপূজো তে বাজি থেকে দূরে থাকুন। সাথে মন্ডপে নো এন্ট্রি ও শোভাযাত্রার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজ্য সরকার। এই সব সিদ্ধান্তের দ্বারা যাতে মানুষ সুস্থ ভাবে উৎসব পালন করতে পারে এই উদ্দেশ্য নিয়েই সরকার অগ্রসর হচ্ছে। কিন্তু এখনও ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও বাজি বন্ধ করা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নি রাজ্য সরকারের তরফ থেকে।