জয় একাদশী ব্রত: যুধিষ্ঠিরকে এদিন শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন কি করতে নেই, জানুন পৌরাণিক কাহিনী

প্রতি মাসের কৃষ্ণপক্ষ এবং শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিতে যদি মন-প্রাণ দিয়ে বিষ্ণুর উপাসনা করেন তাহলে জগত পালনকর্তা শ্রী বিষ্ণু তার ভক্তের ওপর অত্যন্ত প্রসন্ন হন। শাস্ত্র মতে একাদশী তিথি বিষ্ণুর অত্যন্ত প্রিয় তিথি। মহাভারতের যুগে কৃষ্ণ অবতারে শ্রীবিষ্ণু যুধিষ্ঠিরকে এই তিথির মাহাত্ম্য বুঝিয়েছিলেন। আগামী ২৩শে ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা ০৫ মিনিট পর্যন্ত একাদশী তিথি থাকবে। এই সময়কালে বিষ্ণুর কৃপা পেতে জয় একাদশীর ব্রত রাখতে পারেন।

এই ব্রতের ব্রত কথা অনুযায়ী, পুরাকালে দেবলোকের গন্ধর্ব পুষ্পবতী এবং মাল্যবান ইন্দ্রের অভিশাপে মানব রূপে মর্তে জন্ম লাভ করেন। এরপর নারদের কথা মত জয় একাদশীর ব্রত পালন করে বিষ্ণুর উপাসনা করে তাকে সন্তুষ্ট করে তারা পুনরায় স্বর্গে ফিরে যান। তাই বিষ্ণু দেবতাকে সন্তুষ্ট রাখতে এই ব্রত আজও ঘরে ঘরে পালন করা হয়ে থাকে। আগামী ২৪শে ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা ৫০ মিনিট থেকে ৯টা ০৮ মিনিট পর্যন্ত ব্রত ভঙ্গ করতে পারবেন।

জয় একাদশী ব্রত পালন কালে অন্ন গ্রহণ, ময়দা এবং মধু সেবন নিষিদ্ধ। এই দিনটিতে নিজেকে মানসিকভাবে খুব শান্ত রাখতে হয়। নিজের আবেগ সংযত রাখতে হয়, কারোকে কটু কথা বলা উচিত নয়। কারোর সঙ্গে ঝগড়া বিবাদও বাঞ্ছনীয় নয়। পাশাপাশি উক্ত দিনটিতে ব্রহ্মচর্য পালনই বিধান অর্থাৎ শারীরিক সঙ্গম নৈব নৈব চ। আবার সন্ধ্যার সময় ঘুমোনোও এই দিনে বারণ। বিষ্ণু দেবতাকে সন্তুষ্ট রাখতে হলে এই নিয়ম গুলি পালন করাই বিধেয়।