এক প্ৰকার বাধ্য হয়েই জয়া ভাদুরীকে রাতারাতি বিয়ে করতে হয়েছিল অমিতাভকে, জানুন কি ঘটেছিলো

বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ্যে সবথেকে উপরে যদি কারো নাম থেকে থাকে তা হল বলিউডের শাহেনশা অমিতাভ বচ্চনের। এখনো পর্যন্ত বলিউডের একছত্র শাসন করে যান তিনি। অমিতাভ বচ্চন তার ব্যক্তিগত জীবনেও খুবই সাদামাটা থাকতে পছন্দ করেন।আজও বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে সুখী দাম্পত্য বোঝাতে অমিতাভ বচ্চন এবং জয়া বচ্চনের নাম সর্বাগ্রে উঠে আসে। তাদের প্রেমের শুরুটা হয়েছিল খুব সুন্দর।

অ্যাংরি ইয়ং ম্যান কে প্রথম দেখাতেই মন দিয়ে দিয়েছিলেন বাঙালি মেয়ে জয়া। তারপর তাকে আর মন থেকে কখনো সরানো হয়নি। তখনো বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে তেমনভাবে নাম করে উঠতে পারেনি অমিতাভ বচ্চন। প্রথমদিকে সবকটি সিনেমা পরপর ফ্লপ হলেও তার মনে অগাধ বিশ্বাস ছিল যে একদিন তিনি বড় সুপারস্টার হবেন। এই অবস্থায় একের পরে এক সিনেমা যখন সাইন করেছেন অমিতাভ বচ্চন, তখনই তার এবং জয়ার মধ্যে বেড়ে উঠেছে বন্ধুত্ব। একে অন্যের শুটিং ফ্লোরে গিয়ে দেখা করতে শুরু করলেন। তা অবশ্য নজর এড়ায়নি কারোর।

জল্পনা-কল্পনা বাড়তে থাকে সকলের মধ্যে। শুরু হয় কানাঘুষোয় খবর ছড়িয়ে পড়া। প্রেম নিয়ে মুখ খুললেও কখনো বিয়ে নিয়ে কথা বলেনি তারা। এমনই সময় অমিতাভ বচ্চন এবং জয়া বচ্চনের হাতে আসে জঞ্জির সিনেমাটি। এই সিনেমাটিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন তারা। তাদের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল যে, যদি সিনেমাটি হিট করে তাহলে একসঙ্গে বিদেশে পাড়ি দেবেন তারা। যথারীতি সিনেমা টিকিট করার পর ঘুরতে যাবার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তারা। এমনই সময় বিষয়টি নজরে পড়ে যায় অমিতাভ বচ্চনের বাবার।সমস্ত ঘটনা শুনে তিনি ছেলেকে বললেন যে যদি ঘুরতে নিয়ে যেতে হয় জয়াকে, তাহলে তাকে আগে বিয়ে করতে হবে।

সালটা ১৯৭৩। বাবার কথা ফেলতে পারেননি অমিতাভ বচ্চন। অন্যদিকে জয়া বচ্চনকে তিনি কথা দিয়ে দিয়েছেন যে তিনি ঘুরতে যাবেন। তাই দুই দিক বজায় রাখার জন্য অবশেষে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তিনি। এভাবেই শুরু হলো তাদের একসাথে পথ চলা। হাজারো ঝড় ঝাপটা এলেও কখনই তাদেরকে প্রশ্রয় দেননি এই দম্পতি।