সুস্থ হয়ে উঠছে ইতালি, উঠে গেলো লকডাউন, অন্যদিকে করোনা ঘুম কেড়েছে আমেরিকার

করোনার প্রভাব সবথেকে বেশি পড়েছে ইতালি ও আমেরিকায়। ইতালিতে তো গনকবর দেওয়া হয়েছে। তবে আপাতত সেই দেশ কিছুটা হলেও স্বস্তিতে রয়েছে। তাই টানা প্রায় আড়াই মাস পরে খুলছে দেশ। এখন সেদেশে মারন ভাইরাসের তীব্রতা নেই। সব কিছু আস্তে আস্তে স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছে, তাই আপাতত ভাবে দেশের পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে সে দেশের প্রশাসন লকডাউন তুলে নিচ্ছে। বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাবে সাধারণ মানুষ। আজ থেকেই সেই অনুমতি পেয়েছেন বাসিন্দারা।

যদিও ইতালির আগে ভয়ানক পরিস্থিতির শিকার হওয়া স্পেন কিন্তু লকডাউন তুলে নিয়েছিল। গ্রিস থেকে বেলজিয়াম সমস্ত দেশই বেশ স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে। কিন্তু এমন অবস্থায় চিন্তিত আমেরিকা।অন্যদিকে রাশিয়া কিন্তু এগিয়ে রয়েছে এবার করোনার দিক থেকে। সেই সঙ্গে চিন, তুরস্ক, ইরানকে ছাপিয়ে সংক্রমণ তালিকায় সপ্তম স্থানে পৌঁছল রাশিয়া। সেদেশে প্রায় তের হাজার মানুষ মারা গিয়েছেন। এমনকি সেদেশের প্রধানমন্ত্রী আক্রান্ত হয়েছেন।

আমেরিকার বেশির ভাগ প্রদেশই আংশিক ভাবে খুলে দেওয়া হলেও সংক্রমণ ও তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মৃত্যুমিছিল চলছে। রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, এখন তিনিও বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন, ১ লক্ষ নাগরিক মরতে পারেন। প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘৭৫ হাজার থেকে ১ লক্ষ মানুষকে হারাতে চলেছি আমরা। ভয়ানক ব্যাপার।’’ দু’দিন আগে কিন্তু বলেছিলেন, ১ লাখের মধ্যে মৃত্যুমিছিল থামবে। তার আগে বলেছিলেন, ৬০ বা ৭০ হাজার।