ময়নাতদন্তের জন্য লাগবে ৫ হাজার, ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ২৫ হাজার, খরচ দিতে হবে ধ’র্ষি’তাকে

আজব দেশের আজব নিয়ম! এই দেশের অভিযোগকারীকেই মামলা চালানোর জন্য যাবতীয় খরচ বহন করতে হয়। ডাক্তারি পরীক্ষা হোক কিংবা মৃতদেহ সংরক্ষণ, পুলিশের যাতায়াতের খরচ হোক কিংবা জ্বালানি তেলের খরচ, সবটাই বহন করতে হবে অভিযোগকারীকে। এমনই নিয়ম চালু রয়েছে পাকিস্তানে। এখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য যে খরচ পড়বে তাও ধর্ষিতা মহিলার থেকেই আদায় করা হয়।

সম্প্রতি প্রশাসনের বিরুদ্ধে এমনই এক গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ্যে নিয়ে এলেন পাকিস্তানের এক ধর্ষিতা। তিনি জানাচ্ছেন, খাইবার মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগেডাক্তারি পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য তার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও ময়নাতদন্তের জন্য আরো ৫ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে তার থেকে। তার সঙ্গে আবার পুলিশের যাতায়াতের খরচ, জ্বালানি তেলের খরচও দিতে হবে অভিযোগকারিণীকেই।

সম্প্রতি একটি সংবাদ মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, পাকিস্তানে অর্থের অপ্রতুলতা রয়েছে। তাই এখানে অভিযোগকারীকেই তদন্তের সকল ব্যয় ভার বহন করতে হয়। তিনি আরও জানালেন, মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্যও ফ্রিজারের ভাড়াও অভিযোগকারীর থেকেই নেওয়া হয়। সেই ভাড়া বাবদ প্রতিদিন ১৫০০ টাকা গুনতে হয় অভিযোগকারীকেই।

ডিএনএ টেস্ট বাবদ অভিযোগকারীকে ১৮ হাজার টাকা গুনতে হয়। জেলায় ময়নাতদন্তের জন্য ৫ হাজার টাকা লাগে। অন্য জেলায় স্থানান্তর করতে হলে ময়নাতদন্ত বাবদ ২৫ হাজার টাকা লাগে। ড্রাগ পরীক্ষার জন্য ৩ হাজার, পিতৃত্বের পরীক্ষার জন্য ২০ হাজার টাকা, অ্যালকোহল পরীক্ষার ২ হাজার টাকা এবং শরীরে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল কিনা জানার জন্য ৪ হাজার টাকা খরচ হয় পাকিস্তানে।