একদম স’হ’জ ছিল না, তবুও মে’দ ঝ’রি’য়ে হ’ট লু’কে তিথি বসু, দিলেন নেটিজেনদের জ’বা’ব

একসময় স্টার জলসার পর্দায় জনপ্রিয় একটি সিরিয়াল ছিল ‘মা’ সিরিয়াল। মূলত মা-মেয়ের একে অপরকে খোঁজার কাহিনী নিয়ে গড়ে উঠেছিল এই সিরিয়াল। মায়ের ভালোবাসা না পাওয়ার কষ্ট যে কি তা ছোট্ট ঝিলিক যেন রন্ধ্রে রন্ধ্রে বুঝিয়ে দিয়েছিল সকলকে তার অভিনয়ের মধ্যে দিয়ে। ‘ঝিলিক’ – সেই শিশুশিল্পীর নাম যার টানে বাঙালি রীতিমতো স্নান-খাওয়া ভুলে টেলিভিশনের পর্দার সামনে বসে পড়তো রাত ৮টা বাজলেই। সিরিয়ালের জনপ্রিয়তা এতটাই ছিল যে, দীর্ঘ ৬ বছর ধরে চলেছিল এই সিরিয়ালটি। ঝিলিকের কষ্টে কেঁদে উঠতো হাজার হাজার মায়ের মন। তবে, ‘মা’ সিরিয়ালে তার নাম ঝিলিক থাকলেও তাঁর আসল নাম তিথি বসু।

এখন সোশ্যাল মিডিয়ার সেনসেশন তিনি। সকলের প্রিয় ঝিলিক এখন আর ছোট্টটি নেই, এখন সে কলেজে পড়ে। সময়ের সাথে সাথে অনেক ম্যাচিওর হয়ে উঠেছে তিথি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ ভালোভাবেই অ্যাক্টিভ এই অভিনেত্রী। সেখানে লক্ষ লক্ষ অনুগামীদের উদেশ্যে নানান ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন ।

ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিং এর প্রতি ঝোঁক ছিল তিথির। ইনস্টাগ্রামে মাঝেমধ্যেই নিজের বোল্ড এন্ড হট ফটোশুটের ছবি শেয়ার করতে দেখা যায় তাঁকে। প্রথম প্রথম অভিনেত্রীর চেহারা বেশ স্থুলকায় ছিল। তার জন্য অনেকবার বডিশেমিং-এর শিকারও হতে হয়েছে তাকে। তখন দাঁতে দাঁত চেপে সবটা সহ্য করেছেন ঠিকই তবে আজ কিন্তু ফিরিয়ে দিলেন সেই সমস্ত অপমানের জবাব।

নিজের স্থুলকায় চেহারার একটি ছবির সাথে এখন কার একটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। আগের ছবিতে স্পষ্ট তার কোমরের মেদ, আর দ্বিতীয় ছবিতে সেসব উধাও। এক্কেবারে স্লিম ফিট অ্যান্ড সেক্সি হয়ে উঠেছেন অভিনেত্রী। ছবি শেয়ার করে তিথি লিখেছেন, ওইটা থেকে এইটা হওয়া খুব একটা সহজ ছিলনা। দিনের পরদিন অসংখ্য বডিশেমিং সহ্য করেছি। সবাই মোটা বলে মজাও করত। সকলেই জানে আমি খেতে খুব ভালোবাসি। আজও তাই। খাওয়া ছাড়িনি। খাওয়ার সাথে সাথে এখন ওয়ার্ক আউটও করি। দিন গুলোকে আরও এক্সাইটিং লাগে। আমি বুঝেছি যেকোনো শেপেই আমি সুন্দর।