ডাক্তারের পিপিই কিট পড়তে সময় লাগলো ৪০ মিনিট, শ্বাসকষ্টে অ্যাম্বুল্যান্সেই মারা গেলেন রোগী

শ্বাসকষ্ট নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন রোগী, কিন্তু তাকে 40 মিনিট ফেলে রাখা হয় অ্যাম্বুলেন্সে। পরে জানা যায় রোগীর আছে করোনা উপসর্গ। কিন্তু চিকিৎসকদের গাফিলতির কারণেই এই ঘটনা।এদিকে চিকিৎসকদের মধ্যে কেউ পড়েছিলেন না পিপিই কিট। রোগীর পরিবারের দাবি 40 মিনিট শ্বাসকষ্টের কারণে ছটফট করার পরেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, যে কারণে একটা সময় একেবারে নিস্তেজ হয়ে পড়ে রোগী। স্বাভাবিকভাবেই রোগীর পরিবার অভিযোগ দায়ের করেছে বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে। যা গিয়ে জমা পড়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য ও নিয়ন্ত্রক কমিশন এর কাছে। কিন্তু এই নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকেও উত্তরে বলা হয়। ৪০ মিনিট সময় লাগে নি কিন্তু হ্যাঁ তারা পিপিই কিট পড়ে ছিলেন না।

ঘটনাটি ঘটেছে সল্টলেকের কলম্বিয়া এশিয়া হাসপাতাল। পূর্ব কলকাতার বাসিন্দা এসকে ভট্টাচার্য ডায়ালিসিসের জন্য সেই হাসপাতলে মাঝেমধ্যেই যাতায়াত করতেন। রোগীর পরিবারের দাবি,দীর্ঘদিন সেই হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় ছিলেন রোগী।সেই কারণেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে এক নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তাদের। ডায়ালিসিস করে যখন রোগীকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয় তা ঠিক পরেই ফের অসুস্থ হয়ে পড়ে রোগী এবং শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগতে থাকেন। ফের রোগীর পরিবার সেই সল্টলেকের কলম্বিয়া এশিয়া হাসপাতাল রোগীকে নিয়ে যায় , কিন্তু ভেতরে প্রবেশ করার অনুমতি না দিলে আম্বুলান্সে 45 মিনিট অপেক্ষা করেন। এর পরেই স্বাস্থ্যকর্মীরা থাকে ভিতরে নিয়ে গেলেও 10:55 তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

এই অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই গতকাল সোমবার রাজ্য স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশনের তরফ থেকে শুনানি হয়। সেই কলম্বিয়া এশিয়া হাসপাতাল এর ম্যানেজার জানায় আমি সেই সময়ে হাসপাতালে উপস্থিত ছিলাম না তাই সেই কারণে আমি এই ব্যাপারে জানিনা। হাসপাতালে তরফ থেকে জানানো হয়, সাড়ে নটায় না আরো 10 মিনিট পরে রোগীর পরিবার রোগীকে নিয়ে উপস্থিত হয়। সেই সময় জরুরি বিভাগে কর্মরত ছিলেন ডঃ অংশুমান কর, তিনি জানান আমি কি পিক ইট পড়ে ছিলাম না সেই টিকিট পড়তেই কিছুটা সময় লেগেছিল।এখন আদতে কত সময় লেগেছিল সেই নিয়েই তদন্ত করে চলেছে রাজ্য স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশন।।