মনে হচ্ছে সাক্ষাৎ ভগবান দেখেছেন, ল’ক’ডা’উ’ন উঠতেই ম’দ কি’নে সকলের সামনেই পু’জো দিলেন এই ব্যক্তি

লকডাউনের মধ্যে সমস্ত দোকানপাটে প্রায় বন্ধ রাখা হয়েছিল বেশিরভাগ সময়ে মানুষের বেঁচে থাকার জন্য যেমন খাবারের প্রয়োজন, তেমনি আনন্দ দেওয়ার মতো যে সুরার প্রয়োজন তা লক্ষ্য করা গেছে লকডাউন এর সময়। নানান জায়গাতে মদের দোকান খোলা থাকাতে। তামিলনাড়ুতে টাউন ২৯ শে জুন পর্যন্ত লকডাউন টানলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে রাজ্যবাসীকে।

তার মধ্যে যেটি বেশি নজর কেড়েছে সেটি হচ্ছে মদের দোকানে ভিড়। মদের দোকানের লম্বা লাইন দেখে বোঝা গেছে যে, খাবার না হলেও চলবে কিন্তু সুরাপান দরকারি জীবনে বেঁচে থাকার জন্য। যারা এতদিন পর্যন্ত লকডাউন এর জন্য সুরা পান করতে পারিনি তাদের জন্য মদের দোকান খোলা, অমৃত হাতে পাওয়ার মতই অবস্থা। সুরাপান যে অমৃতের সমান এটাই এবার প্রমাণ করে দিল মাদুরাইয়ের বাসিন্দা।

মদের দোকানের সামনে মদ হাতে পাওয়ার পর তার যে কীর্তিকলাপ, তা দেখেই অবাক হয়ে থাকে দাঁড়িয়ে রইলেন মদের দোকানের সামনের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অনেক মানুষ। ঘটনাটি ভীষণ পরিমাণে ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে যে, ওই ব্যক্তি বোতল হাতে পাওয়ার পর তাকে প্রনাম করছেন। অন্য এক ব্যক্তি এই সমস্ত ঘটনাটি ভিডিও করেছেন এবং সেটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে দেওয়ার পরই প্রচুর পরিমাণে ভাইরাল হয়ে গেছে।

তামিলনাড়ুর সাতাশটি জেলাতে কিছু সময়ের জন্য মদের দোকান খোলার অনুমতি দিয়েছে তামিলনাড়ু সরকার। স্বল্প সময়ের মধ্যে যে পরিমাণে ভিড় ওই মদের দোকানের সামনে হয় তা হয়তো দেখলে অনেকেই অবাক হয়ে গেছে। এরকম দৃশ্য আমাদের রাজ্য দেখা গেছে বিভিন্ন জায়গাতে। ঘটনাটি ঘটেছে তামিলনাড়ু স্টেট মার্কেটিং কর্পোরেশন, ওইখানে একটি মদের দোকান এবং সেখানে ভিড় জমিয়েছিল অসংখ্য মানুষ। মাদুরাইয়ের এক ব্যক্তি সিঁড়ির ওপরে একটি প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখেছিলেন এবং তারপরেই যখন তার হাতে বোতল আছে সেটিকে প্রদীপের সামনে রাখে এবং তাকে বারবার প্রণাম করে পুজো করতে থাকে।

ওই ব্যক্তিকে দেখার পরপরই আরো কিছু লোক সেখানে এসে তাদের বোতল গুলি রাখে এবং প্রণাম করেন। ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে যে প্রাচীন গ্রিসে বাক্কাস ছিল মদের দেবতা, কিন্তু ওই ব্যক্তির ঠিক কাকে আরাধনা করেছিলেন, তা অবশ্য কোনো কিছুই বোঝা যায়নি। তবে এই রকম একটি ভিডিও সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল হতে যথেষ্ট মজা পেয়েছেন অন্যান্য মানুষেরা।