রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা দেখার পুরো দায়িত্ব নয় নির্বাচন কমিশনের, কড়া চিঠি তৃণমূলকে

নন্দীগ্রামে ভোটের প্রচারে গিয়ে আহত হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্তমানে এখন তিনি চিকিৎসাধীন। তাই আপাতত ভোটের প্রচার বন্ধ , তাছাড়া আজ শুক্রবার তৃণমূলের তরফ থেকে ইস্তেহার প্রকাশ করার কথা ছিল, যেটা তৃণমূল সুপ্রিমো অসুস্থতার কারণ এর জন্য বাতিল করা হয়েছে। যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর সাথে দুর্ঘটনা ঘটে সেদিনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরাসরি বঙ্গ বিজেপি কে বার্তা দিয়ে বলেন আগামী দোসরা মে রবিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করুন বাংলার মানুষ এর জবাব দেবে।

তবে এর থেকেও এক বড় প্রশ্ন উঠেছে নির্বাচন কমিশনের ওপর। মমতা ব্যানার্জির এই দুর্ঘটনার পর এই তৃণমূল সরকার সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দিকে আঙ্গুল তুলতে থাকে। অনেকেই বলেন নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে ৯০ % নিয়ন্ত্রণ থাকে নির্বাচন কমিশনের কাছে। তাহলে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার কারণ কি? কিন্তু এই অভিযোগের পরে চুপ থাকেন এ নির্বাচন কমিশন। গতকাল বৃহস্পতিবার শাসক দলকে এক কড়া ভাষায় চিঠি লিখে উত্তর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশন বলেছেন কেবলমাত্র বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচন করিয়ে থাকে নির্বাচন কমিশন। আর ঠিক এই সময়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব পুরোটাই নির্বাচন কমিশনের হাতে এমনটা বলা ভুল,তারপরেই সংবিধানের 324 নম্বর ধারা উল্লেখ করে মনে করিয়ে দিয়েছেন শাসক দলকে। গতকাল বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্ঘটনার বিষয় নিয়ে। আর ঠিক তার পরেই নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে কড়া ভাষায় শাসক দলকে উদ্দেশ্য করে চিঠি লেখা হয়েছে যেখানে সংবিধানের 324 নম্বর ধারা উল্লেখ করে, আর তারপরেই দারুণভাবে তুলোধোনা করা হয়েছে শাসক দলকে।।