সাফল্য পে’লো ISRO নি’র্মি’ত গগনযান “বিকাশ ইঞ্জিন”, গ’ড়’লো নয়া ন’জি’র

ভারতের গবেষণা সংস্থা ইসরোর হাতে বড় সাফল্য এলো। মহাকাশ সফরের ক্ষেত্রে ‘মিশন গগনযান’ নামের একটি প্রকল্প পরিচালনা করছে। আগামী দিনে এই প্রকল্প সফল করে তোলার জন্য চারজন নভোচর মহাকাশে ভেসে থাকার প্রশিক্ষণও নিয়েছেন। এবার ওই মহাকাশযানের ‘বিকাশ’ ইঞ্জিনের পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হলো ইসরো। এই নিয়ে তৃতীয়বারের পরীক্ষা করা হল ওই মহাকাশযানের ইঞ্জিনকে। মহাকাশ গবেষকদের পরীক্ষায় সফল হয়েছে ইঞ্জিনটি‌।

এই বিকাশ ইঞ্জিন হলো মহাকাশযানের মেরুদন্ড। এই ইঞ্জিন এর উপর ভর করেই আগামী দিনে মহাকাশের উদ্দেশ্যে উড়ে যাবে এই মহাকাশযান। তার আগে তামিলনাড়ুতে তৃতীয়বারের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সফল হয়েছেন ইঞ্জিনটি। তামিলনাড়ুর মহেন্দ্রগীরিতে টানা চার মিনিট ধরে এই ইঞ্জিনটির পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। ইসরোর তরফ থেকে জানানো হয়েছে উৎক্ষেপণের ফলাফল অত্যন্ত সন্তোষজনক।

এই ইঞ্জিনটি আসলে লিকুইড প্রপেলেন্ট-সমৃদ্ধ ইঞ্জিন। বিজ্ঞানীদের প্রায় সকল আশা পূরণ করেছে এই ইঞ্জিন। তবে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আগামী দিনে ইঞ্জিনের মান উন্নয়নের জন্য আরও বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবেন তারা। মহাকাশ বাণিজ্যের অন্যতম কর্ণধার স্পেস এক্সের এলন মাস্ক ইসরোর এই সাফল্যে তাদের শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন। ইসরোর এই সফলতা আরে সাফল্যের মুকুটে নিঃসন্দেহে নতুন পালক সংযোজন করেছে।

উল্লেখ্য ইসরোর তত্ত্বাবধানে ২০১৩ সালে সবচেয়ে কম খরচে মঙ্গলে সফলভাবে মঙ্গল যান পাঠিয়েছিলো ভারত। এরপর চন্দ্রযান-২ চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা নেয় ইসরো। যদিও সেই পরিকল্পনা শেষ মুহূর্তে এসে ভেস্তে যায়। ল্যান্ডিং করার সময় আচমকা হারিয়ে যায় চন্দ্রযান-২।