ভ্যা’ক’সিন নিয়ে ভরসা করতে পারছে না পরমবন্ধু চীনকে, রাশিয়ার টিকায় আস্থা রাখছে ইসলামাবাদ

প্রায় এক বছরের কিছু বেশি সময় ধরে বিশ্বে করোনা অতিমারি রীতিমতো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তবে আশার কথা, গত বছরের শেষ ভাগেই করোনা প্রতিরোধে বিভিন্ন ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। ভারতসহ বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই কমবেশি করোনা টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে পাকিস্তান এখনো টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু করতে পারেনি।

করোনার দাপটে পাকিস্তানের প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন, ১০ হাজার ৮৬৩ জনের মৃত্যুও হয়েছে। অন্যান্য দেশের মতো পাকিস্তানও এবার করোনা টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু করতে চায়। তবে বন্ধুরাষ্ট্র চীনের “করোনাভ্যাক” নয়, পাকিস্তান বরং রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিন “Sputnik V”কেই অনুমোদন দেওয়ার কথা ভাবছে। চীনের “করোনাভ্যাক” নিয়ে পাকিস্তানের মন্ত্রিসভাতেই মতবিরোধ রয়েছে।

ড্রাগ রেগুলেটরি অথরিটি অফ পাকিস্তানের মুখপাত্র আখতার আব্বাস খান সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন, ভ্যাকসিন কেনার জন্য এখনও কোনো সংস্থাকে বরাত দেওয়া হয়নি। তবে করোনা যোদ্ধাদের জন্য শীঘ্রই টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু করা হবে। বিশ্বের বিভিন্ন টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির থেকে যে আবেদন পত্র পাওয়া গিয়েছে তার মধ্যে রাশিয়ার Sputnik V-কেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

অবশ্য কোভ্যাক্স প্রকল্পের আওতায় অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কেনার পরিকল্পনাও রয়েছে পাকিস্তানের, এমনটাই জানা যাচ্ছে। তবে পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, চিনা সরকারি সংস্থা সিনোফার্মের থেকেও করোনা টিকা কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে পাকিস্তানে। তবে চীনা ভ্যাকসিন “করোনাভ্যাক” এর নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই চীনের তুলনায় ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে রাশিয়াকেই এগিয়ে রাখছে পাকিস্তান।