সঙ্ঘের হাতেই কি বঙ্গ বিজেপির চা’বি’কা’ঠি? মোহন ভগবতের ডা’কা বৈঠক নিয়ে শুরু জ’ল্প’না

মমতার বিরুদ্ধে চলতি বছরে কোন বড় মুখ দাঁড় করাতে পারেনি বিজেপি। যেভাবে তারা ভেবেছিলেন বাংলায় জয় ছিনিয়ে নেবেন তার কিছুই হয়নি। তবে বাংলায় ফের একবার বিজেপি তার হারানো জমি ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। আর ঠিক এই কারনে তিনদিনের বৈঠক বসেছে আরএসএসের শীর্ষ নেতৃত্বের। এ বৈঠকে বাংলার বিজেপি কি পরিকল্পনা করবে আগামী দিনে এবং বাংলার ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কি পদক্ষেপ নেবেন তারা তা নিয়ে আলোচনা হবে।

এছাড়া আলোচনা হবে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে। থার্ড ওয়েভ নিয়ে যে ভয় তৈরি হয়েছে মানুষের মধ্যে তা নিয়েও আলোচনা করা হবে ওই বৈঠকে। আগামী 5 তারিখ পর্যন্ত চলবে এই বৈঠক। এই বৈঠকে থাকবেন আরএসএসের শীর্ষস্তরের 10 জন নেতা। বৈঠকে থাকবেন,দত্তাত্রেয় ওজাবালে, কৃষ্ণ গোপাল, মনমোহন বৈদ্য, মুকুন্দ, অরুণ কুমার, সুরেশ সোনি, ভাইয়াজি যোশী, ভাগা্য়া, রামদূত চক্রধর। আরএসএস প্রধান মোহন ভগবতের নেতৃত্বেও বসবে সেই বৈঠক।

আরএসএস বলছে যে এটি একটি রুটিন বৈঠক। এই বৈঠকে আগামী মাসের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করা হবে। করণা পরিস্থিতিতে দেশের সেবামূলক কাজ কিভাবে করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। এদিকে প্রধান বিরোধীদল হয়েও রাজ্যে কার্যত নিজের জায়গা বানিয়ে রাখতে অসফল হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। এই অবস্থায় বাংলার বিজেপি রাশ হাতে নিতে চাইছে আরএসএস।

এই বৈশাখে বর্ষার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে খবর পাওয়া গেছে। আগামী দিনে বাংলার রাজনীতি তে আরএসএস এর ভূমিকা কি হবে তা নিয়ে আলোচনা করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির রাজনৈতিক চালিকা শক্তি হল আরএসএস। কাকতালীয়ভাবে আরএসএস মুখপাত্র যা বলেছিলেন কার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে পুরনো বিজেপি নেতৃত্বের চিন্তা।

সংঘের মুখপাত্রে বলা হয়েছে যে, তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজ্যে বিজেপির মুখ্য লড়াই, সেই দল থেকে লাগাতার লোক ভাগিয়ে নিয়ে আসার নীতি একেবারেই ভালো হয়নি। ব্যাড এক্সপেরিমেন্ট বলে কে আখ্যা দিয়েছে আরএসএস। যাদের তৃণমূল দল থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল তাদের কার্যকরিতা না দেখেই নিয়ে আসা হয়েছিল বলে মনে করেছেন তারা। সব মিলিয়ে ব্যাপক ভোটে হেরে যাবার পর এবার সংঘের অধীনে আসতে চলেছে রাজ্য বিজেপির চালিকাশক্তি।