টি’কা নিলেই কি শী’ঘ্রই স্বাভাবিক জী’ব’নে ফে’রা স’ম্ভ’ব? জেনে নিন কি বলছে বিশেষজ্ঞরা

করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য হাতিয়ার হিসেবে ভ্যাকসিন রয়েছে বিশ্ববাসীর হাতে। ভারতেও গণহারে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হয়ে গিয়েছে বহু আগে। কিন্তু ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেও দেখা যাচ্ছে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন মানুষ। যার ফলে অনেকেরই মনে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে রীতিমতো সন্দেহ দেখা দিয়েছে। ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নিয়ে নিয়েছেন, তবু আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন এমন নিদর্শন রয়েছে ভুরি ভুরি।

তাহলে উপায়? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা কিন্তু এতে আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন। তাদের দাবি ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ প্রয়োগ করার পর অর্থাৎ “ফুললি ভ্যাক্সিনেটেড” হওয়ার পরেও যদি মানুষ করোনা আক্রান্ত হন সেক্ষেত্রে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। কারণ করোনা ভ্যাকসিন কার্যত করোনার প্রকোপকে নিস্তেজ করে। তাই ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেও যদি শরীরে ভাইরাস প্রবেশ করে তাহলে তা মারাত্মক রূপ ধারণ করতে পারবে না।

আমেরিকার বেশিরভাগ মানুষই “ফুললি ভ্যাক্সিনেটেড” হয়ে গিয়েছেন। অর্থাৎ তারা ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নিয়ে নিয়েছেন। যার ফলে আমেরিকার করোনা পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। লকডাউন শিথিল হয়েছে মার্কিন মুলুকে। আমেরিকায় বর্তমানে ৫০ শতাংশের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কোন না কোনও ভ্যাকসিনের একটি ডোজ নিজের শরীরের প্রয়োগ করেছেন। যার ফলে তাদের ইমিউনিটি পাওয়ার আগের তুলনায় অনেকাংশে বেড়ে গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, “ফুললি ভ্যাক্সিনেটেড” মানুষেরা কিন্তু ঘরে-বাইরে যেকোনো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম। তাই তাদের শরীরে ভাইরাস প্রবেশ করলেও প্রাণ হারানোর আশঙ্কা থাকছে কম। ভ্যাকসিন নেওয়ার পর শরীরে করোনা আক্রমণ করলেও সেক্ষেত্রে বড়জোর সামান্য কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অতএব ভ্যাকসিন নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।