অমানবিক, ছিলো না হেলমেট, জরিমানা নেওয়ার পরেও অন্তঃসত্ত্বাকে ৩ কিমি হাঁটালেন মহিলা পুলিশকর্মী

মাথায় হেলমেট না থাকার জন্য এক মহিলা পুলিশ অফিসার এক সন্তানসম্ভবার থেকে ৫০০ টাকা জরিমানা নেওয়ার পরেও প্রায় ৩ কিমি পথ তাকে হাঁটালেন। এরকম অমানবিক চরিত্র ফুটে উঠল সেই সমস্ত মানুষদের মধ্যে যারা সাধারণ মানুষের রক্ষাকর্তা হিসেবে নিযুক্ত রয়েছে। পুলিশের বর্দি পড়া শুধুমাত্র যে আইন শেখানো তা নয় তার সাথে সাথে অসহায় মানুষদের প্রতি মানবিকতাবোধ টাও দেখানো। তবে এই রকম একটি পুলিশ অফিসারের কাজে সত্যিই লজ্জা বোধ হয় যে এরাই নাকি সাধারণ মানুষের রক্ষা কর্তা। উড়িষ্যায় ঘটল এক নির্মম ঘটনা। ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার আদিবাসী অঘোষিত ময়ূরভঞ্জ জেলার সদর থানার এক অফিসার হেলমেট চেকিং এর জন্য ডিউটিতে ছিলেন এবং সেখানে সন্তানসম্ভবা মহিলাকে হেলমেট না পরার জন্য ৫০০ টাকা জরিমানা সহ ৩ কিমি পথ তাকে হাটিয়েছেন, এরকম একটি ওঠার পরেই ওই পুলিশ সুপারকে সাসপেন্ড করে দেওয়া হয় ।

এই নির্মম পুলিশ সুপার হল রিনা বক্সাল। তাকে ২৮ শে মার্চ সাসপেন্ড করে দেওয়া হয় এবং পাঠানো হয় বারিপদা সদরে। রিনার ওপর অভিযোগ আসে গাফিলতি করার জন্য এবং অমানবিক অত্যাচার করার জন্য। ওই সন্তানসম্ভবা মহিলা তার স্বামীর বাইকে করে যাচ্ছিলেন চেকআপের জন্য তার স্বামীর মাথায় হেলমেট পরা ছিল কিন্তু ঐ সন্তানসম্ভবা মহিলা হেলমেট পড়েনি তার পরেই ওই দম্পতিকে রাস্তায় নামিয়ে হেনস্তা করা হয় এবং হেলমেট কেন পড়েনি যখন তাদের জিজ্ঞাসা করা হয় তখন ওই সন্তানসম্ভবা মহিলাটির স্বামী জানায় যে, তার স্ত্রীর শরীর খারাপ লাগছিল তাই তিনি হেলমেট পড়েনি।

কিন্তু সেই কথা রকমই কান দেয়নি পুলিশ। হেলমেট না পরার জন্য ৫০০ টাকা জরিমানা থানায় গিয়ে জমা করা আসার কথা বলেন কিন্তু, সন্তানসম্ভবার স্বামী বলেন যে তিনি অনলাইনে দিয়ে দেবেন কিন্তু ওই পুলিশ রিনা সেটাতে রাজি হয়নি। সন্তানসম্ভবা মহিলাটিকে রেখেই তার স্বামীর থানায় যান এবং অন্যদিকে সেই সন্তানসম্ভবা মহিলা একা একাই হেঁটে ওই রোদের মধ্যে ৩ কিমি পথ ধরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এবং যার পর পরই শরীরে সমস্যা দেখা দেয় তার এরকম অমানবিক আচরণ করার জন্য ওই দম্পতি সেই পুলিশ রিনার নামে অভিযোগ করেন।