লাদাখ সীমান্তে ১০০-২০০ রাউন্ড গুলি চালিয়েছিল ভারত-চিন সেনা, প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

সম্প্রতি বিশিষ্ট সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি ভারত-চীন সীমান্ত সম্পর্কে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেশ করল। এনডিটিভির রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুর দিকেই লাদাখ সীমান্তে ভারত এবং চীন উভয় রাষ্ট্রের সেনাবাহিনী একে অপরের দিকে অন্ততপক্ষে ১০০ থেকে ২০০ টি “ওয়ার্নিং শটস” চালিয়েছে। রিপোর্ট মোতাবেক, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং-ই যেদিন মস্কোয় সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনার জন্য বৈঠকে বসেন, তার ঠিক দুদিন আগেই।

সূত্রের খবর, লাদাখ সীমান্তে অবস্থিত প্যাংগং লেকের ফিঙ্গার পয়েন্ট তিন থেকে ফিঙ্গার পয়েন্ট চার দখল করার উদ্দেশ্যে এগোতে শুরু করে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি। সেই সময়ে চিনা সেনাবাহিনীকে ঠেকাতে তৎপর হয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। এক সরকারি আধিকারিকের বিবৃতি অনুযায়ী, এই সময় ভারত এবং চীনের মধ্যে শান্তি চুক্তি লঙ্ঘন করে ৩০০ মিটারের ব্যবধানে উভয় রাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর মধ্যে প্রায় ১০০ থেকে ২০০ রাউন্ড গুলি চলে।

সরকারি দফতর সূত্রে খবর, ৭ই সেপ্টেম্বর সীমান্তের চেসুল সাব-সেক্টরে উভয় রাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর মধ্যে প্রথম গোলাগুলি শুরু হয়।অ্যাডিন ও ভাইরাস একে অপরের প্রতি কার্যত সতর্কবার্তা দেওয়ার জন্যই গুলি চালিয়েছিল বলে দাবি করেছেন ওই সরকারি আধিকারিক। কিন্তু এরপরের দিন অর্থাৎ ৮ই সেপ্টেম্বর সীমান্ত পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে দাঁড়ায়। এই দিন উভয় রাষ্ট্রের সেনাবাহিনী একে অপরকে লক্ষ করে প্রায়ই ১০০ রাউন্ড গুলি চালায়।

সরকারি আধিকারিকের দাবি, উভয় রাষ্ট্রের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্ররা যখন একে অপরের সাথে সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনায় বসেন তখন সীমান্ত উত্তেজনা কিছুটা হলেও প্রশমিত হয়। তিনি আরো জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে চীনের অধিকৃত চার নম্বর ফিঙ্গার পয়েন্টটি ভারতীয় সেনাবাহিনী দখলে রয়েছে। তবে, শীঘ্রই ভারত এবং চীনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্ররা পুনরায় সীমান্ত পরিস্থিতি ইস্যু নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে চলেছেন বলে জানা গেছে।