পুজোর আগেই চালু হতে পারে ভারত-ভূটান বিমান পরিষেবা, খুশির হাওয়া পর্যটকদের মনে

সম্প্রতি, পর্যটন পরামর্শদাতা রাজ বসু জানালেন, অক্টোবর মাসের মধ্যেই ভারত ভুটান উড়ান পরিষেবা চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্প্রতি, ভূটানের ড্রুক এয়ার কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং যাত্রী সুরক্ষা নিশ্চিত করে বাগডোগরা–পারো, পারো–কলকাতা এবং পারো-দিল্লি এই তিনটি রুটে বিমান চলাচল শুরু করা যেতে পারে। পুজোর আগেই যদি ভারত ভুটান উড়ান পরিষেবা চালু করা যায়, তাহলে পর্যটন শিল্পে উন্নতি হবে।

এ সম্পর্কে রাজ্যের পর্যটন পরামর্শদাতা রাজ বসু জানালেন, এখন যদি সপ্তাহে একদিন করেও রাজ্যে এই রুটে উড়ান পরিষেবা চালু করা যায় তাহলেও তা যথেষ্ট লাভজনক হবে। পাশাপাশি, একবার সফলভাবে উড়ান পরিষেবা শুরু করার পর ভবিষ্যতে এটিকে উদাহরণ হিসেবে কাজে লাগিয়ে আরো উড়ান বাড়ানোর সুপারিশ করা যেতে পারে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাস থেকেই করোনা মহামারীর জেরে দেশের সব রকম বাণিজ্যিক উড়ান বন্ধ হয়ে যায়।

বাগডোগরা বিমানবন্দরের এক আধিকারিক অবশ্য জানালেন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে এখনো পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো নির্দেশিকা এসে পৌঁছায়নি। তবে, বাগডোগরা বিমানবন্দরের সঙ্গে পারো বিমানবন্দরের যোগসুত্র স্থাপন করার জন্য ইতিমধ্যেই উড়ানের ট্রায়াল’ শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর যদি চলতি মাসে আবারো ভারত ভুটান উড়ান পরিষেবা চালু হয় তাহলে পর্যটকদের পাশাপাশি উপকৃত হবেন ছাত্রছাত্রীরা।

পর্যটন পরামর্শদাতার দাবি, করোনা মহামারীর কারণে আচমকা লকডাউন চালু হওয়ার ফলে দীর্ঘ ছয় মাস ধরে ভুটানের বহু ছাত্র-ছাত্রী এদেশে আটকে পড়েছেন। এই উড়ান পরিষেবা চালু করে তারা আবার নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবেন। হিমালায়ান হসপিটালিটি এন্ড ট্রাভেল ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সভাপতি সম্রাট সম্মান জানালেন, করোনার কারণে রেল পরিষেবা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। এমতাবস্থায় যদি নির্দিষ্ট রুটে বিমান পরিষেবা চালু করা যায়, তাহলে আন্তর্জাতিক সংযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে সুবিধাই হবে।