পাক যুবকের মারে সৌদিতে ভেন্টিলেশনে ভারতের ছেলে, দেশে ফেরাতে কেন্দ্রের কাছে অনুরোধ মায়ের

সম্প্রতি, হায়দ্রাবাদ নিবাসী এক মুসলিম মহিলা তার গুরুতরভাবে অসুস্থ ছেলেকে সৌদি থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন জানিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমে ওই মহিলা জানিয়েছেন, এক পাকিস্তানি যুবকের হাতে বেধড়ক মার খেয়ে তার ছেলে সৌদির হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ছেলের শারীরিক অবস্থা খুব খারাপ বলে জানতে পেরেছেন মহিলা। বিগত দশ দিন ধরে ছেলের কোনো খবরও পাননি তিনি। বাধ্য হয়ে তাই এবার কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারস্থ হয়েছেন মহিলা।

বিশিষ্ট সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, ওই মহিলার নাম খাতিজা বেগম। তাঁর ছেলে শায়েক সাদিক বিগত তিন বছর ধরে সৌদি আরবে মজুরের কাজ করছেন বলে সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন তিনি। গত জুলাই মাসের ১৫ তারিখে এক এজেন্ট মারফত তিনি জানতে পারেন, তার ছেলে এক পাকিস্তানি নাগরিকের হাতে বেধড়ক মার খেয়ে সৌদি আরবের জেড্ডার হাসপাতালে ভর্তি। অবস্থা খুব খারাপ।

ওই এজেন্ট তাকে জানিয়েছিলেন, সায়েককে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সে। খাতিজা বেগম জানিয়েছেন, বিগত ১০ দিন আগে পর্যন্ত ছেলের খোঁজ পেয়েছেন তিনি। তবে এই দশদিনের মধ্যে কোনোভাবেই ওই এজেন্টের সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারেননি খাতিজা। উপায়ন্তর না দেখে তাই কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। কেন্দ্রের কাছে তার একটাই আবেদন, যেনতেন প্রকারেন তার ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হোক।

ঠিক কি কারণে পাক নাগরিকের কাছে এভাবে মার খেলো শায়েক সে বিষয়ে অবশ্য কিছু জানাতে পারেননি খাতিজা বেগম। তবে, তা নিয়ে বিশেষ চিন্তিত নন তিনি। তিনি জানতে চান তার ছেলে বর্তমানে কেমন রয়েছে। সেজন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে রিয়াধ এবং জেড্ডায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রের কাছে তার আবেদন, যত শীঘ্র সম্ভব ভারতীয় দূতাবাস থেকে কোনো প্রতিনিধি যেন হাসপাতালে গিয়ে তার ছেলের খোঁজখবর নেন।