কৃত্রিম মেধায় ভারত পথ দেখাবে বিশ্বকে, দখল করবে প্রথম স্থান, অটুট বিশ্বাস মুকেশ আম্বানির

ভারত আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স গ্রুপে প্রথম স্থান দখল করবেই, এবার এমনটাই জানালেন মুকেশ আম্বানী। ডিজিট্যাল ভবিষ্যতের পথে ভারতকে এগিয়ে যেতে গেলে কৃত্রিম মেধাকেই অবধারিত ভাবে আপন করে নিতে হবে । RAISE 2020- এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই তিনি এই কথা বলেছেন। এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই Responsible AI for Social Empowerment ভারত সরকার ও শিল্প ও শিক্ষাক্ষেত্রের অগ্রণী ভূমিকার জন্য এই যৌথ উদ্যোগ। টানা ৫ দিন ধরে এই কথাবার্তা চলবে ভার্চুয়ালী, সকাল ১০ টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত।

এই উদয়গ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মুকেশ আম্বানীর প্রশংসা করেন। আর তিনি বলেন দারুণ দুরদৃষ্টি সম্পন্ন মনোভাব। আরসেটার জন্যই এই RAISE 2020। তিনি আরও বলেন, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই ডিজিটাল ইন্ডিয়ার স্বপ্ন দেখেছিল যেটা একাধিকভাবেই সফল হয়েছে। এরপরে মুকেশ আম্বানী জানিয়েছেন, ডিজিটাল ইন্ডিয়ার কথা যদি বলা যায়, তাহলে বলতে হয় সেটার ৯৯ % ফল শ্রুতি হিসেবে মানুষকে ব্রডব্যান্ড থেকে শুরু করে মোবাইল ডেটা সমস্ত কিছুই দেওয়া সম্ভব হয়েছে। আর আগামীতে যখন দেশে ফাইভ জি পরিষেবা চালু হবে তখন সেখানেও যে ভারত প্রথম স্থান দখল করে রাখবে সেটা কিন্তু স্পষ্ট।

এখন ডিজিটাল ইন্ডিয়ার প্রমাণ মানুষ সহজেই পেয়ে যাচ্ছে পরিষেবা। অফিসের কাজ বাড়িতে বসেই তারা করতে পারছে। সাথে দেশের মানুষকে অপটিক্যাল ফাইবারের দ্বারা নেটওয়ার্ক পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ৬ লক্ষ গ্রামকে ইতিমধ্যে সংযুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। আর এই সবের সাথে যে আগামী কিছুদিনের মধ্যে ভারত ব্রডব্যান্ড পরিষেবাতেও সবার প্রথম স্থান দখল করবে সেটা স্পষ্ট। ভারত যে সহজেই প্রথম সারির ডিজিটাল সমাজে পরিণত হতে পারবে সেটা স্পষ্ট বোঝাই যাচ্ছে।কারন সেই সব কিছু ভারতে হাতেই আছে।রিলায়েন্সের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুকেশ আম্বানী আরও বলেছেন ডেটাকে জাতীয় সম্পদ ও আর্টিফিশিয়াল রসদ , তার মতে আগামী ভারত অর্থনৈতিক, মানব সম্পদ ক্ষেত্র ছাড়াও ডিজিটাল মাধ্যমকে আসল সম্পদ বলে গণ্য করবে।