চিনকে জবাব দিতে যুদ্ধের প্রস্তুতি, ইজরায়েলের বিধ্বংসী মিসাইল নিশানা করল ভারত

ইজরায়েলের বিধ্বংসী মিসাইল নিশানা করল ভারত

লাদাখ নিয়ে এখন দুই দেশের লড়াই, তাদের মধ্যে যে উত্তাপের পারদ চড়ছে, সেটা একেবারে আকাশ ছুঁয়েছে। এবার দেখা যাচ্ছে, বারবার শান্তি পূর্ণ বৈঠক হচ্ছে দুই দেশের মধ্যে। কথা বার্তার মাধ্যমেই দুই দেশ মেটাতে চাইছে বিবাদ। কিন্তু চিন উপরে উপরে চাইলেও, ভেতরে ভেতরে তারা যুদ্ধ করার জন্য মুখিয়ে আছে, কারণ সেটা তাদের সীমান্তের কার্যকলাপ দেখেই স্পষ্ট বোঝা যায়। স্যাটালাইট ভিউ সামনে এসেছে, সাথে দেখা গেছে চিনা সেনারা এখনও গালোয়ান ভ্যালির থেকে তাদের সেনা সড়ায় নি।

বরং সেখানেই তৈরী করেছে সেনা ছাউনি, সাথে মজুত করেছে সামরিক অস্ত্র পাতিও। কিন্তু এটা শুধু একদিকে চিত্র না, এপাশে ভারতও তাদের রণকৌশল বুঝেছে বলেই, তারাও একেবারে দারুণ ভাবে প্রস্তুত। তারাও যে কোনো ভুল ও ফাঁক ফোকর রাখতে চাইছে না সেটা কিন্তু স্পষ্ট। আর সেটাই এখন ভারতের কার্যকলাপের দ্বারাও প্রকাশ পাচ্ছে।

আজ লাদাখের চুসুলে হয়েছে দুই দেশের সেনা কমান্ডারের মধ্যে তৃতীয় দফার বৈঠক। আগের দুই দফায় বৈঠক হয়েছে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় নি। চিন উপরে উপরে বৈঠক করে সব ঠিক করার বার্তা দিলেও যে তারা সেটা চায় না, সেটা তাদের এতদিনের সীমান্তের কার্যকলাপ দেখে স্পষ্ট ভাবে বোঝাই গেছে।

তাই এবার ভারত একেবারে প্রস্তুত। কারণ ভারত দুই দিকই যে খোলা রাখছে সেটা স্পষ্ট। এখন সীমান্তে দারুণ ভাবে প্রস্তুত ভারত, বায়ুসেনার বিমান সুখোই ৩০ এম কেআই। সাথে টি ৯০ ভীষ্ম ক্যাম্প, মোতায়েন করা হয়েছে কুইক রিঅ্যাকশন আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র। এখানেই শেষ না, এই ট্যাঙ্কের সাথে আরেক সঙ্গীকে মোতায়েন করা হয়েছে সীমান্তে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী বাজুকাও। চিন যেখানে ঘাটি গেড়েছে, সেদিকে তাক করেই ভারত মোতায়েন করেছে সমরাস্ত্র।যা চিনের ট্যাঙ্ক গুলোকে খুব সহজেই খতম করে দিতে পারবে।

ভারত ইতিহাসের থেকে শিক্ষা নিয়েছে ,এখন ভারত সীমান্তে মোতায়েন করেছে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। ইজরায়েলের থেকে স্পাইডার এয়ার ডিফেন্স মোতায়েন করেছে ভারত। সামনে আরো ইজরায়েলের থেকে আরো একটি এয়ার ডিফেন্স নিয়ে আসার কথা, সেটার নাম বারাক-৮। এটিও একটি বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। যার দ্বারা শত্রুপক্ষকে অনায়াসেই জবাব দেওয়া যাবে।