আরও শক্তিশালী ভারত, অ্যান্টি রেডিয়েশন মিসাইলের সফল পরীক্ষা ভারতের

“শৌর্য”, “ব্রহ্মস”এর পর এবার “রুদ্রম”। ভারতীয় প্রতিরক্ষা দপ্তরের সফলতার মুকুটে একের পর এক নতুন পালক জুড়ছে। তবে “রুদ্রম” ভারতের প্রথম অ্যান্টি-রেডিয়েশন মিসাইল, সম্প্রতি যা সফল উৎক্ষেপণ করলো ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন তথা ডিআরডিও। সুখোই-৩০ ফাইটার জেট থেকে “রুদ্রম” এর উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই মিসাইল প্রথমবারের নিক্ষেপেই নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে।

“রুদ্রম” এর সফল উৎক্ষেপণে ডিআরডিও এর ভুয়ষী প্রশংসা করে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং একটি টুইট বার্তায় লিখেছেন, আইটিআর বালাসরে আজ আধুনিক প্রজন্মের তথা ভারতের প্রথম অ্যান্টি রেডিয়েশন মিসাইল “রুদ্রম” এর সফল উৎক্ষেপণ করতে সমর্থ হয়েছে ডিআরডিও। এর জন্য ডিআরডিও এবং ভারতীয় বায়ুসেনা বাহিনীকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানালেন, নিউ জেনারেশন অ্যান্টি-রেডিয়েশন মিসাইল এয়ার টু সারফেস মিসাইল রুদ্রম-১, ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম বড় হাতিয়ার হয়ে উঠতে চলেছে।শ ত্রু সেনার রেডারের তথ্য নষ্ট করে, বিপক্ষের কমিউনিকেশন সিস্টেম বিনষ্ট করে শত্রুপক্ষের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের তছনছ করে দিতে পারে “রুদ্রম”। ডিআরডিও এর সাথে মিলিত ভাবে “রুদ্রম” এর নকশা তৈরি করেছে ভারত ডায়ানামিক্স লিমিটেড ও ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড।

১০০-১৫০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত শত্রু সেনাঘাঁটি উপর আঘাত হানতে সক্ষম “রুদ্রম”। তবে প্রয়োজন অনুসারে এই মিসাইলের পাল্লা বাড়ানো যায়‌। ৫.৫ মিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন প্রায় ১৪০ কিলোগ্রাম। যে কোনো আবহাওয়ায় কাজ করতে সক্ষম “রুদ্রম”। বর্তমানে এই মিসাইলের গ্রাউন্ড-বেসড ভার্সন তৈরির কাজ শুরু করেছেন বিশেষজ্ঞরা। মোবাইল লঞ্চারের মাধ্যমে ভূমি থেকেও সেই মিসাইল শত্রু পক্ষের উদ্দেশ্যে নিক্ষেপ করা যাবে।