পাকিস্তানে হিন্দু মন্দির ধ্বংসের প্রতিবাদে সামিল ভারত, আন্তর্জাতিক মঞ্চে ব্যাপক চাপে ইমরান সরকার

সম্প্রতি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকায় অবস্থিত একটি হিন্দু মন্দিরের উপর পাকিস্তানি মৌলবাদীদের হামলার ভিডিও সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে বেশ ভাইরাল হয়ে যায়। এই ধ্বংসলীলার ভিডিওটি আন্তর্জাতিক মহল থেকেও প্রবলভাবে সমালোচিত হয়েছে। ভারতসহ বিশ্বের প্রতিটি দেশই এই মুহূর্তে পাক প্রশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছে। হিন্দু মন্দির ধ্বংসের ঘটনায় কার্যত জোর বিতর্কের মুখে ইমরান খানের প্রশাসন।

এরকম একটি অশান্তির প্রেক্ষাপটে এবার ভারতের তরফ থেকে সরকারিভাবে প্রতিবাদের বার্তা পৌঁছে গেল ইসলামাবাদে। বিশিষ্ট সূত্রে খবর, ভারতের তরফ থেকে কূটনৈতিক স্তরের প্রতিবাদ পৌঁছেছে পাকিস্তানে। উল্লেখ্য গত বুধবারে পাকিস্তানের মৌলবাদী মনোভাবাপন্ন মুসলিম সম্প্রদায়ের ব্যক্তিরা হিন্দু মন্দিরের উপর যে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে, তা নিয়ে জোর বিতর্কের জেরে এখনো পর্যন্ত অন্তত ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন।

শুধু এই ঘটনাটি নয়, বিগত দিনেও পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তের হিন্দু মন্দির গুলির উপর এহেন অত্যাচার চালানো হয়েছে। সবকিছু জেনেও এতদিন প্রশাসন নীরব থেকেছে। পাকিস্তানে হিন্দু নাগরিকেরা এখানে বর্বরোচিত আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মিছিল বের করেছেন। পাশাপাশি, সংখ্যালঘু এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বুধবারের ঘটনার পেছনে মূল চক্রি ছিল মৌলবাদী জামিয়াত উলেমা-ই-ইসলাম পার্টি। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এক ইমামসহ মৌলবাদী জামিয়াত উলেমা-ই-ইসলাম পার্টির ৩১ জন সদস্যকে আপাতত গ্রেপ্তার করেছে পাকিস্তানের প্রশাসন। তবে এতেও অবশ্য আন্তর্জাতিক মহলে বিতর্ক এড়াতে পারছে না ইমরান খানের প্রশাসন। এর উপর আবার ভারতের এই প্রতিবাদ স্বভাবতই পাকিস্তানের উপর চাপ বৃদ্ধি করলো।