টার্গেট চিন, জাপানের সঙ্গে যৌথ নৌ মহড়া ভারতের, চাপে বেজিং

জাপানের সঙ্গে যৌথ নৌ মহড়া ভারতের

এখন লাদাখ সীমান্তের গালোয়ান উপত্যকার অবস্থা সম্পর্কে আমরা সবাই অবগত। ভারত ও চিনের ঝামেলা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। দুই দেশে একেবারে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। কেউ পিছু হটবার নয়। দুই দেশের মধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। একেবারে টানটান উত্তেজনা। কিন্তু এবার ভারত কোনোদিক থেকেই পেছনে থাকতে চান না। তারাও এবার একেবারে প্রস্তুত। ভারতের প্রস্তুতি দেখে এটাই বোঝা যায় যে, অতীতের থেকে অনেকটাই শিক্ষা নিয়েছে ভারত।

তাই ইতিমধ্যে এবার ভারত জাপানের সাথে নৌমহড়া সেড়ে ফেলল। আর সেটাই দুই দেশের তরফ থেকে টুইট করে জানিয়েও দেওয়া হল। যা অনেকটাই গুরুত্ব বহন করে নিয়ে আসবে ইন্দো চিন যুদ্ধ পরিস্থিতিতে। এই ভারত ও জাপানের মহড়ায় দুই দেশের ৪ টি মোট যুদ্ধজাহাজ অংশও গ্রহণ করেছিল ভারতের ছিল আই এন এস রানা ও আই এন এস কুলিশ। ও এদিকে জাপানের ছিল জে এস সিমাইকি ও জে এস কাশিমা। আজ রবিবার এই কথা জাপানের তরফ থেকে টুইট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আর তার ফলেই দুই দেশের ওপরে যে একটা দারুণ প্রভাব পরল সেটা বোঝাই যাচ্ছে, যেটা এই সময়ে ভারতের জন্য খুবই দরকার ছিল। এখন পর্যন্ত ভারতের সাথে জাপানের মোট ১৫ টি নৌ মহড়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এখন প্রায় সব দেশে চিনের বিপক্ষে, ও ভারতের পক্ষে। আর সেই তালিকায় জাপান আগের থেকেই অবস্থান করছে। কারণ জাপান এমন একটি দেশ যারা ভারতকে ডোকলাম সমস্যায় সাহায্য করেছে, পাশে দাড়িয়েছে।

তাই এবার এই মহড়া যে বেজিংকে তাতপর্যপূর্ণ বার্তা দেবে সেটা স্পষ্ট। ভারতের তরফ থেকে এই মহড়া নিয়ে বলা হয়েছে যে, আসলে এই মহড়ার কারণ দুই দেশের বিভিন্ন কৌশলগত বিদ্যা ভাগাভাগি করে নেওয়া। এতে আমাদের মধ্যে আরও বেশী বন্ধুত্ব্ব জোড়ালো হবে। আর এটা চিনের ভালো করেই জানা, যে আমরা জাপানের কতটা কাছের। এই মহড়া ছিল একটি সাধারণ রুটিন মহড়া, কিন্তু এটা ঠিক যে, কোনো যুদ্ধের কথা মাথায় রেখে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয় নি।