বজরংবলির অসীম শ’ক্তি’তে খা’রা’প সবকিছুর বি’না’শ হয় নিমিষে, পৃথিবীতে নেমে আসে শা’ন্তি

ত্রেতাযুগে পৃথিবীকে রাক্ষস মুক্ত করতে বিষ্ণুর সপ্তম অবতার, ভগবান শ্রী রামের জন্ম হয়েছিল। তবে রাক্ষসরাজ রাবণের বিরুদ্ধে লড়াই রাম কিন্তু একা লড়তে পারতেন না। যদি না এই লড়াইয়ে তার সবথেকে বড় ভক্ত পবনপুত্র হনুমান তাকে সহায়তা না করতেন। পবন পুত্র হনুমানও কোনো সাধারণ চরিত্র ছিলেন না। তিনি ছিলেন শিবের অবতার।

পৃথিবীকে রাক্ষস তথা অশুভ শক্তির করায়ত্ত থেকে মুক্ত করতে রামকে সহায়তা করেছেন হনুমান। তাই আজও তাঁর ভক্তরা যেকোনো বিপদে বিপদসংহারক হিসেবে তাঁকে স্মরণ করেন। বজরংবলির আরাধনা যারা করেন, তাঁর আশীর্বাদে তাদের জীবন হয়ে ওঠে সুন্দর। হিন্দু শাস্ত্রে তার রূপকে মঙ্গলময় রূপ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। তাই সেই রূপ স্মরণ করলে ভক্তের মঙ্গল হয়। এমনটাই বিশ্বাস রাখেন তার অনুরাগীরা।

হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, একমাত্র বজরংবলির আরাধনা করলেই জীবন হয়ে উঠবে মঙ্গলময়। জীবনের সকল আশা, সকল স্বপ্ন, সফল প্রত্যাশা পূরণ হবে। অন্য কোনও দেবদেবীর আরাধনা করার প্রয়োজন পড়বে না। নতুনভাবে জীবন শুরু করতে বা জীবনকে একটি নতুন পথে পরিচালনা করার আগে ভক্তরা সর্বপ্রথম পবনপুত্র হনুমানকে স্মরণ করেন।

একদিকে তিনি যেমন ঈশ্বরের মঙ্গলময় রূপ, তেমনই তিনি শক্তির প্রতীক। ভগবান শিবের যে দুই পুত্র মর্তে অবতরণ করেছিলেন তাঁরা হলেন হনুমান এবং ভীম। এরা দুজনেই প্রভূত শক্তির অধিকারী ছিলেন। যাদের শক্তির কাছে শত্রুপক্ষের কেউ টিকতে পারতেন না। তাই বজরংবলির আরাধনা করলে তার ভক্তরাও মানসিকভাবে হয়ে উঠবেন শক্তিশালী। জীবনে চলার পথে যে কোনো বাধা-বিপত্তি নিমেষেই দূর করতে পারবেন তারা।