হাথরাসে প্রিয়াঙ্কার গায়ে হাত পুরুষ পুলিশের, চলে ধস্তাধস্তি

হাথরাসের নির্যাতিতা তরুণীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে চরম হেনস্থার সম্মুখীন হতে হয়েছে বিরোধী নেতাকর্মীদের। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে মাটিতে পড়ে যান রাহুল গান্ধী, ডেরেক ও’ব্রায়েন। শুধু তাই নয়, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ছবিতে রাহুল গান্ধীর কলারও চেপে ধরতে দেখা গেছে এক পুলিশকর্মীকে। তবে পুলিশের হেনস্থায় হাত থেকে রক্ষা পাননি মহিলা কর্মীরাও। খোদ উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেস সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকেও হেনস্থা করলো উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।

শনিবার, হাথরাসের নির্যাতিতা তরুণীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাবার সময় প্রথমটা পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল কংগ্রেস নেতৃবৃন্দদের। সেই সময় সাংবাদিকদের তোলা একটি চিত্রে ধরা পড়লো, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর পরনের কুর্তা টেনে ধরেছে এক পুলিশকর্মী। তবে সেই পুলিশকর্মী কিন্তু মহিলা নন। তিনি একজন পুরুষ! এই দৃশ্য প্রকাশে আসতেই, যোগীর প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিরোধীরা।

কংগ্রেস দলের জাতীয় মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা এই ঘটনার বিরোধিতা করে বলেছেন, এর থেকে বেশি লজ্জাজনক এবং দুঃখের আর কিছু হতে পারে না। উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকার রীতিমতো গুন্ডাগিরিতে অবতীর্ণ হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে আক্রমণ করে কংগ্রেসের মুখপাত্র বলেছেন, যোগীর রাজ্যে শ্রীমতি প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর উপর হাত তুললেন পুরুষ পুলিশকর্মী। এমন সরকারের জলে ডুবে মরা উচিত।

যোগী আদিত্যনাথের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছেন, একজন মহিলার ওপর হাত তুলে কোন সংস্কারের পরিচয় দিচ্ছে যোগীর প্রশাসন? তার দাবি, পুলিশের আড়ালে না লুকিয়ে, এমন সরকারের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত। উল্লেখ্য, সংবাদ মাধ্যমে যে চিত্র প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, ওই পুরুষ পুলিশকর্মী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর কাঁধে হাত দিয়ে তার কুর্তা টেনে আছেন। যা দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিরোধীরা। তাদের দাবি, যোগী রাজ্য মহিলাদের সম্মান রক্ষার্থে ব্যর্থ। এই দাবিতে সরকারের ইস্তফা চাইছেন তারা।