চাঞ্চল্যকর ঘটনা মালদায়, ৬ টি ষাঁড়কে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হলো

প্রতীকী ছবি

মালদায় ফের নিরীহ পশুদের উপর ভয়ঙ্কর অত্যাচার চালানোর তথ্য প্রকাশ্যে এলো। শুক্রবার মালদার হবিবপুর ব্লকের দোলমালপুর গ্রামে ছয়টি নিরীহ ষাঁড়কে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হলো। এদের মধ্যে বেশ কয়েকটি ষাঁড়ের শরীরে বল্লমের আঘাত ছিল। কারণ আবার কোমর থেকে পা পর্যন্ত ভয়ংকরভাবে ঝলসে গিয়েছে। কে বা কারা এমন বর্বরোচিত অপরাধের সঙ্গে জড়িত তা এখনো জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার সকালে গ্রামবাসীরা একই সঙ্গে প্রায় ছয়টি ষাঁড়কে ভয়ংকরভাবে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় ছটফট করতে দেখেন। এই ছয়টি ষাঁড়ই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিল। গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন, বৃহস্পতিবার রাতেই তারা নিরীহ পশুদের করুণ আর্তনাদ শুনতে পেয়েছিলেন। কিন্তু তার পেছনে যে এমন বর্বোরোচিত কর্মকাণ্ড থাকতে পারে তা তারা আন্দাজ করতে পারেননি।

পরিস্থিতি নজরে আসতেই তারা দ্রুত বিষয়টি স্থানীয় পশু চিকিৎসালয় এবং পুলিশ প্রশাসনের গোচরে আনেন। “নব প্রচেষ্টা” চ্যারিটির সদস্যরাও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। এরপর সম্মিলিতভাবে সকলের প্রায় ছয় ঘণ্টার প্রবল প্রচেষ্টার ফলে আহত ষাঁড়গুলিকে স্যালাইন, ওষুধ এবং অন্যান্য চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

ঘটনা প্রসঙ্গে “নব প্রচেষ্টা” চ্যারিটির সভাপতি প্রতীক ঘোষ জানালেন, মালদার প্রাণী সম্পদ বিকাশ বিভাগ, হবিবপুর শাখার আধিকারিক, পশু চিকিৎসক ডক্টর অসীম সরকার, সমষ্টি প্রাণী সম্পদ বিকাশের আধিকারিক ডক্টর তুষার কান্তি বনিক এবং অন্যান্যদের সহায়তা না পেলে আহত পশু গুলিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হতো না। এমন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।