ভ্যা’ক’সি’ন নিতে হলে রাজ্য সরকারের ত্রাণ ত’হ’বি’লে দা’ন করতে হবে টা’কা! সমস্যায় সাধারণ মানুষ

কেন্দ্রকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার জন্য প্রত্যেক রাজ্য থেকে দাবি জানানো হয়েছিল। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে চিঠি লিখেছিলেন যাতে ১৮ বয়সের ঊর্ধ্বে সমস্ত মানুষ বিনামূল্যে টিকা পান। বিজেপির তরফ থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বলা হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের দেওয়া বিনামূল্যে টিকা নিজের টিকাশ্রী প্রকল্প বলে যেন চালিয়ে দেবেন না।

একুশে নির্বাচনের সময়েও মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা করেছিলেন, সবাইকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হবে। যদিও তখনো কেন্দ্র বিনামূল্যে টিকাকরণ করার কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেননি। পরে অবশ্য কেন্দ্র ঘোষণা করে বলেন যে সমস্ত মানুষকে বিনা মূল্যে টিকা করন করা হবে। কাউকে টিকা কিনতে হবে না। রাজ্য সরকারের হাতে ও বিনামূল্যে টিকা পৌঁছে দেওয়া হবে।

কিন্তু এরপর হঠাৎ করে বাংলা থেকে টাকার বিনিময়ে টিকা নেওয়ার একটি অভিযোগ উঠে এসেছে। রাজ্য সরকারের ত্রাণ তহবিলে ৩১৫ টাকা জমা না দিলে টিকা দেওয়া হচ্ছে না এমন অভিযোগ উঠে এসেছে শিলিগুড়ি বণিকসভা পর্যটন ব্যবসায়ী এবং ক্ষুদ্র শিল্প সহ বিভিন্ন মহল থেকে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দিয়েছেন উত্তরবঙ্গ ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশন এর সম্পাদক সুরজিৎ রায়। সুরজিৎ বাবু জানান, সাধারণ মানুষ স্বেচ্ছায় রাজ্য সরকারের ত্রাণ তহবিলে টাকা পাঠাচ্ছেন।

অন্যদিকে ইস্টার্ন হিমালায়া ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সন্দ্বীপ ঘোষ পাল্টা দাবি করেছেন, স্বেচ্ছায় টাকা দেওয়ার কথা বললেও কেন টাকার পরিমাপ মেপে দেওয়া হচ্ছে? টাকা না দিলে পাওয়া যাবে না এমন কথা কেন বলা হচ্ছে? এই ঘটনা সামনে আসতেই সমস্ত মহল থেকে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। বিনামূল্যে টিকার জন্য কেন সকলকে বাধ্য করতে হবে টাকা দিতে, এই প্রশ্ন করা হয়েছে সকল মহল থেকে। স্বাভাবিকভাবেই এই কথা সামনে উঠে আসার পর আরও একবার বেকায়দায় পড়ে গেছেন রাজ্য সরকার।