বাহিনীর ওপর আক্রমণ হলে আত্মরক্ষার তাগিদে গুলি চালাবেই: বিবেক দুবে

চতুর্থ দফার নির্বাচনের দিন কোচবিহারে শীতলকুচি বুথের সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন 4 জন গ্রামবাসী। সম্প্রতি এই ঘটনা নিয়ে উত্তাল হয়েছে জনসাধারণ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহল। সম্প্রতি কোচবিহারের এসপি দেবাশীষ ধর জানিয়েছেন, প্রায় সাড়ে তিনশোর উপর গ্রামবাসী যখন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ওপর চড়াও হয়েছিল। তখন কার্যত আত্মরক্ষার জন্য গ্রামবাসীর ওপর গুলি চালাতে বাধ্য হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর পুলিশরা।

এই ঘটনার পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত সাহা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সমস্ত ঘটনার জন্য দায়ী করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন যে, কেন্দ্রীয় জবান একমাত্র কথা শুনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দের। তাই এই সমস্ত ঘটনার জন্য দায়ী কেন্দ্রীয় নেতারা।

তবে এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে জানিয়েছেন যে, এইভাবে জওয়ানদের ওপর আক্রমণ হলে গুলি চালানো টা খুবই স্বাভাবিক। প্রথম দফা নির্বাচনে ঠিক আগের রাতে মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ির উপরে আক্রমণ করা হয়। তারপর থেকেই নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জারি করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর যদি আক্রমণ করা হয় তাহলে তারা আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালাতে পারেন।

বিবেক দুবের এই মন্তব্যের পর স্পষ্ট হয়ে যায় যে, শীতলকুচি তে ঘটনার পর যতই রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা যাক না কেন, কমিশন তাদের সিদ্ধান্তে একেবারেই অনড় রয়েছে। তবে আভ্যন্তরীণ তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। কি কি পরিস্থিতি সেদিন তৈরি হয়েছিল তা খতিয়ে দেখবে নির্বাচন কমিশন। অনাদিকে বাহিনীর গুলিতে নিহত ৪ গ্রামবাসীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে বিকাশ দুবে।