‘প্রয়োজন হলে নির্বাচনে নামানো হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী’, সাফ জানাল কমিশন

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে পারে, কোনো তরফ যাতে ভোট প্রভাবিত করতে না পারে, সেই উদ্দেশ্যে ভোট গ্রহণ পর্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছিল বিরোধী রাজনৈতিক শিবির। বাংলায় একুশের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হোক, হিংসামুক্ত পরিবেশে মানুষ নির্ভয়ে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে এসে নিজের ভোট প্রদান করুন, এমনটাই চাইছে নির্বাচন কমিশন। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, প্রয়োজন অনুসারে তা বিবেচনা করা হবে।

শুক্রবার, রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল আরোরা। বৈঠক শেষে সুনীল আরোরা জানিয়েছেন, ভোট আসতে এখনো বেশ কয়েক মাস দেরি রয়েছে। তাই এখন থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে না। তিনি এও জানিয়েছেন, বহু ক্ষেত্র থেকেই নির্বাচন কমিশনের কাছে ১০০% বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানানো হচ্ছে। প্রয়োজন বুঝে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল আরোরা এদিন জানিয়েছেন, সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে কিনা তা এখনও ঠিক করা হয়নি। এদিন বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, বিএসএফ বা অন্য কোনও সেনাকে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে মোতায়েন করা হবে না।

নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, করোনার কারণে বুথ পিছু হাজার জন ভোটার ভোট দিতে পারবেন। এ কারণে চলতি দফার বিধানসভা নির্বাচনে ২২ হাজার অতিরিক্ত বুথ খোলা হবে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন, বিধানসভা নির্বাচনের পেক্ষাপটে তিন জন পর্যবেক্ষক বাংলায় আসবেন। একজন সাধারন পর্যবেক্ষক হিসেবে, একজন ব্যয়সংক্রান্ত বিষয় পর্যবেক্ষণ করতে এবং অপরজন আইন-শৃংখলার উপর নজর রাখতে বাংলায় আসবেন।