ছেলেদের এই সব অভ্যাস থাকলে ভবিষ্যৎ বড়ই খারাপ হয়ে থাকে, জেনে নিন কি বলেছিলেন চাণক্য

মধ্যযুগীয় ইতিহাসের জ্ঞানীগুণী মানুষদের মধ্যে যিনি আজও জনমানসে সমানভাবে নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখতে পেরেছেন, তিনিই হলেন তৎকালীন সময়ের অন্যতম পন্ডিত কৌটিল্য চাণক্য। চাণক্যের বাণী, তাঁর উপদেশ, পরামর্শ, নীতি আজও সমাজ এবং ব্যক্তিগত জীবনের কল্যাণে সমানভাবে স্বীকৃত ও গ্রহনীয়। অর্থনীতি হোক, রাজনীতি কিংবা দর্শন শাস্ত্র, সবেতেই তাঁর অসাধারণ পান্ডিত্য ছিল।

তাঁর মুখ নিঃসৃত বাণী আজও মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারে। চাণক্য‌ বরাবরই সমাজের উন্নয়নের স্বার্থে যুব সম্প্রদায়ের উপরেই বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তাঁর মতে, সমাজের উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সেই সমাজের যুব সম্প্রদায় সঠিক পথে পরিচালিত হবেন। এর জন্য অবশ্য যুব সম্প্রদায়ের কি কি করণীয় এবং বর্জনীয় তা উল্লেখও করে দিয়েছেন তিনি।

চাণক্যের মতে, যুবকদের যে কোনো প্রকার নেশা কিংবা আসক্তি থেকে বিরত থাকা উচিত। খুব অল্প বয়স থেকেই জ্ঞানের সাধনায় নিমগ্ন হতে হবে তাদের। কারণ চাণক্যের মতে, যার জ্ঞান নেই, তিনি সত্যের সন্ধান পান না। শুধু তাই নয়, যুব সম্প্রদায়কে নিরহংকারী হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন চাণক্য। যৌবনকালে অহংকার “বিষের ন্যায়” বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

আবার যৌবনকালে ব্যক্তিকে বিলাসবহুল জীবন যাপন থেকে বিরত থাকার পক্ষেই সওয়াল করেছেন চাণক্য। চাণক্যের মতে কু-অভ্যাসগুলি যৌবনেই সমৃদ্ধ হয়। তাই এই সময়কালে অত্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করে চলতে হয়। এই বিষয়গুলির প্রতি সতর্ক দৃষ্টি আরোপ করে সুষ্ঠু চরিত্র গড়ে তোলা উচিত যুব সম্প্রদায়ের, এমনটাই মনে করতেন চাণক্য।