পাঁচ বছরে দেড় কোটি চাকরি দেব, সাহাগঞ্জের সভা থেকে রাজ্যবাসীকে প্রতিশ্রুতি মমতার

আজ হুগলির সাহাগঞ্জের জনসভা মঞ্চে বক্তৃতা রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একুশের ভোট যুদ্ধের দামামা বেজে গিয়েছে। রাজনৈতিক শিবিরগুলিতে এখন জোর ভোট প্রচার পর্ব চলছে। হুগলির সভামঞ্চে দাঁড়িয়ে জোর প্রচার চালাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাল্টা সভার আয়োজন করে আজ হুগলিতে জোর প্রচার চালাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিগত বছরগুলিতে তৃণমূল সরকার রাজ্যের উন্নয়নের জন্য কি কি করেছে তার খতিয়ান তুলে ধরেছেন তিনি।

এদিনের সভা মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেও শোনা গেল “খেলা হবে” সুর। আসন্ন একুশের লড়াইয়ে বাংলায় জোর “খেলা হবে”। এদিনের সভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকেও বিঁধেছেন মুখ্যমন্ত্রী। “ট্রান্সপারেন্ট স্ক্রিন দেখে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী! এক লাইন বাংলা বলে কেউ বাংলার মন জয় করতে পারবেন না!”

প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আরও গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ তুলেছেন তিনি। তার বক্তব্য অনুসারে, রাজ্যের যত প্রকল্প, যত উন্নয়ন সব রাজ্য সরকারের অবদান। এদিকে প্রধানমন্ত্রী ফিতে কেটে বাহবা নিচ্ছেন! বহুদিন ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা ডানলপ কারখানার প্রসঙ্গ তুলেও বিজেপি নেতা কর্মীদের বিঁধেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ডানলপ কারখানার মালিক পবন রুইয়ার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। অথচ তার বাড়িতেই থাকছেন বিজেপি নেতারা! কেন? প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুসারে, ৫-১০ টাকা নিলে তাদের বলা হচ্ছে তোলাবাজ। আর বিজেপি তো কারখানাসহ সবকিছুই বেচে দিচ্ছে! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কয়লা পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে তার বক্তব্য, “ঘরের বউকে কয়লা চোর বলছে! এত বড় সাহস!” পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে রাজ্যের দেড় কোটি কর্মসংস্থানের আশ্বাসও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তার দাবি, মমতা সরকারের আমলে রাজ্যে ৪০% দারিদ্র্য কমেছে।