মনে আছে অ’শী’তি’প’র “ইডলি আম্মা”কে! এবার দুর্দান্ত উ’প’হা’র পাঠালেন আনন্দ মহিন্দ্রা

idli আম্মাকে মনে আছে। যিনি লকডাউন এর মধ্যেও সকলের পেট পুজো করার জন্য অবিরাম পরিশ্রম করে গিয়েছিলেন। আজও যাকে দেখতে পাওয়া যায় দোকানের মধ্যে অবিরাম পরিশ্রম করতে। তার দোকানে গেলেই আপনি পাবেন ছোট ছোট স্টিলের প্লেটের মধ্যে পেটভর্তি গরমাগরম ইডলি। সেটি যেমন খেতে নরম তেমনি সুস্বাদু। সঙ্গে আপনি পেয়ে যাবেন চাটনি। কেউ নিচ্ছেন চারটে কেউবা ছটা। এইভাবে প্রয়োজনমতো খিদে মিটিয়ে চলে যাচ্ছেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে।

সুদূর চেন্নাইয়ের ভারীভেলামপালায়ালাম গ্রামে বহুদিন ধরেই এই রকম একটি দোকান চালান অশীতিপর একজন বৃদ্ধা। তার অভিনবত্ব এটাই যে, প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত তিনি একই দামে বিক্রি করেন ইডলি। মাত্র এক টাকার বিনিময়ে তিনি গ্রাহকদের পেট ভরে খাবার দেন। লোকের রোজগার অনুপাতে বাড়লেও ইডলির দাম কিন্তু বাড়ায়নি এই বৃদ্ধা।

কিন্তু কেন? তাকে প্রশ্ন করতেই তিনি বলেন যে, এই দোকান চালু করি আমি এলাকার গরিব এবং খেটে খাওয়া মানুষদের কথা ভেবে। যাতে তারা প্রতিদিন পেট ভরে খাবার খেয়ে কাজে যেতে পারে। তাই আমার দাম কোনদিন বাড়েনি এবং বাড়বে না। লকডাউনের সময় একা হাতে এই দোকান সামলে গেছেন তিনি। তার কথা নেট দুনিয়ায় আমরা সকলেই দেখেছি এবং শুনেছি। এই বৃদ্ধার কথা জানতে পেরে এগিয়ে আসেন একজন বিখ্যাত ব্যবসায়ী যিনি আর কেউ নয়, স্বয়ং মাহিন্দ্রা গ্রুপের কর্ণধার আনন্দ মাহিন্দ্রা। তিনি এই বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন। কাঠ পুড়িয়ে যাতে তাকে আর রান্না না করতে হয় তার জন্য নতুন ঝকঝকে এলপিজি ওভেন উপহার দেন তাকে।

উপহার দিতে এসে বৃদ্ধার দোকানে ঘুরে ও যান আনন্দ। তখন বৃদ্ধা বলে ওঠেন যে, ওভেন তো ঠিক আছে। কিন্তু যে ঘরে আমি থাকি তার অবস্থা খুব খারাপ। নতুন একটি ঘরের ব্যবস্থা করে দিতে পারলে খুব ভালো হয়। ওভেন কিনে দেবার পাশাপাশি তাই এই কথা ও রেখেছেন আনন্দ। বৃদ্ধার মাথার উপর ছাদের জোগাড় করে দিয়েছেন আনন্দ। তাই এবার একটি ঝাঁ-চকচকে বাড়ি হবে ইডলি আম্মার নতুন ঠিকানা।