ঘুমালেই পো’ড়া মুখ ভে’সে উঠে, আমি দেড় মাস ঘু’মো’তে পারিনি, ভূ’তে’র মুখোমুখি হ’য়ে যা বললেন সোহম

ভূত আছে কি নেই তা নিয়ে মতবিরোধ আছে। কেউ কেউ ভূতে বিশ্বাস করেন তো কেউ কেউ আবার ভূতকে অত পাত্তা দেননা, তাদের মতে ভূত বলে কিছু নেই,সবই মনের ভুল। কিন্তু এমন কিছু ভৌতিক অভিজ্ঞতা অনেক মানুষের হয়ে থাকে যা শুনলে ভূতে অবিশ্বাসী মানুষেরও হাড় হিম হয়ে যায়। বেশিরভাগ ভূতের গল্প কল্পনার আশ্রয় নিয়ে তৈরি হলেও এমন অনেক ঘটনা সত্য ভৌতিক কাহিনীও হয়। অভিনেতা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীকেও এক সময় এরকম ভয়ানক ভৌতিক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। তা দাদাগিরির মঞ্চে এসে তার জীবনের সেই ভয়ানক অধ্যায়ের গল্প শুনিয়েছেন তিনি। আর এর কারণেই দেড় মাস দু-চোখের পাতা এক করতে পারেননি তিনি।

দাদাগিরির মঞ্চে এমনই এক এপিসোডের ক্লিপিং ভাইরাল হয়েছে যেখানে সঞ্চালক সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে নিজের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করে নিয়েছিলেন সোহম। ভয়ে কাঁটা হয়ে তিনি জানান, ‘মাঝেমাঝে যখনই চোখ বুজতাম দেখতে পেতাম পুড়ে যাওয়া একটা সাদা কালো মুখ আমার দিকে তাকিয়ে রয়েছে। যেখানে সেখানে তার দেখা পেতাম। আর এর জেরে এতটাই মানসিক উদ্বেগ বাড়ছিল যে আমি এক বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করি৷ সে এসে জানায়, হ্যাঁ ওই তো ও দাঁড়িয়ে আছে, পুড়ে মারা গেছে।’

সোহমের অভিজ্ঞতা শুনে মঞ্চে উপস্থিত সকলেই ভয় পেয়ে যান৷ সৌরভ ও এই ব্যাপারটিতে সহমত পোষণ করে জানান, ‘আমিও বহুবার এমন ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন। খেলার সূত্রে নানান দেশের নানান হোটেলেই থাকতে হত, যেখানে অদ্ভুত অদ্ভুত কান্ড ঘটেছে আমার সাথে, যার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি পাওয়া যায়নি।’ তিনি ইংল্যান্ড ট্যুরের একটি ভূতুড়ে গল্প ভাগ করে নিয়েছেন সবার সাথে।

দাদাগিরির মঞ্চে প্যারানরমাল বিষয় নিয়ে বেশ কিছু এপিসোড দেখানো হয়েছিল। যেখানে অনেক অভিজ্ঞরা এসে ভূতের অস্তিত্ব প্রমাণ করেছেন। পরে বিজ্ঞানমঞ্চ এই নিয়ে প্রতিবাদও করে। এ প্রসঙ্গে কেউ কেউ বলেন যে এমন জনপ্রিয় একটি শো-তে এমন গাঁজাখুরি গল্প প্রোমোট করার কোনো মানেই হয়না।