যে কোনো মুহূর্তে আমার উপর হতে পারে হামলা, প্রাণনাশের আশঙ্কা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা শুভেন্দুর

সদ্য ঘাসফুল ছেড়ে পদ্মফুল আপন করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। দল বদলের সঙ্গে সঙ্গেই কেন্দ্রের তরফ থেকে পেয়ে গিয়েছেন জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা! তবুও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন প্রায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সমতুল্য পদপ্রাপ্ত শুভেন্দু অধিকারী। তাই এবার নিজের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজনীতির এই হেভিওয়েট নেতা। যেকোনো সময়ে প্রাণঘাতী হামলা সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন তিনি!

হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে তার যেকোনো রাজনৈতিক সভাতেই গন্ডগোল বাঁধছে। গোয়েন্দা বিভাগের তরফ থেকে বারবার তাকে সতর্ক করা হচ্ছে। গোয়েন্দারা বারবার জানিয়েছেন, কেউ বা কারা তাকে খুন করতে চাইছে। এমতাবস্থায়, তিনি যে পথ দিয়ে রাজনৈতিক জনসভায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন সেই পথে তার সুরক্ষা নিয়েই তিনি বেশি উদ্বিগ্ন।

তিনি হাইকোর্টে জানিয়েছেন, তিনি যে পথ ধরে জনসভায় অংশগ্রহণ করতে যান, রাজ্য সরকারের অধীনস্থ পুলিশ সেই পথে তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে। তারা তাদের সেই দায়িত্ব ঠিক ভাবে পালন করছেন না বলেই অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী। আদালতে তার আবেদন, সঠিক ভাবে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হোক। “বাঁচার অধিকার” নিয়েই এদিন কার্যত হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু অধিকারী।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ৩রা জানুয়ারি নন্দীগ্রামে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। এরপর ৮ই জানুয়ারিতেও নন্দীগ্রামে আয়োজিত শুভেন্দুর জনসভায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। উত্তেজিত জনতা চেয়ার ছোঁড়াছুড়ি করতে থাকে, জনসভায় ঢিল পড়তে থাকে। বিজেপির তরফ থেকে অবশ্য এর সমস্ত দায় ভার তৃণমূলের উপরেই চাপানো হয়েছে। এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, তৃণমূল কর্মীরা নয়, শুভেন্দুর জনসভায় এ দিন বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপি দলের কর্মী সমর্থকরাই।